রোববার, ২৪ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আইন আদালত

চার্জশিট গ্রহণ শুনানি আজই

রামিসা হত্যা মামলা: সোহেল রানা ও স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল

রামিসা হত্যা মামলা: সোহেল রানা ও স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল
স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও স্বামী সোহেল রানা। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার নারী ও শিশু জিআর শাখায় তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান এই চার্জশিট জমা দেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, চার্জশিট গ্রহণের বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মামলাটি শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে।

এর আগে মামলার তদন্তে ফরেনসিক ও ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করা হয় বলে জানায় তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এতে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও অভিযোগপত্র প্রণয়নে অগ্রগতি হয়।

ভুক্তভোগী শিশুটি রাজধানীর একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মামলার সকল গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

#ন্যায়বিচার #রামিসা_হত্যা #চার্জশিট

চেকপোস্ট

রোববার, ২৪ মে ২০২৬


রামিসা হত্যা মামলা: সোহেল রানা ও স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬

featured Image

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) পল্লবী থানার নারী ও শিশু জিআর শাখায় তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান এই চার্জশিট জমা দেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, চার্জশিট গ্রহণের বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মামলাটি শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে।

এর আগে মামলার তদন্তে ফরেনসিক ও ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করা হয় বলে জানায় তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এতে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও অভিযোগপত্র প্রণয়নে অগ্রগতি হয়।

ভুক্তভোগী শিশুটি রাজধানীর একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মামলার সকল গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত