সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা সাতটি মামলার মধ্যে একটিতে জামিন পেয়েছেন। একই সঙ্গে বাকি ছয় মামলায় তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (৩ জুন) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোতে জামিনের আবেদন শুনানি শেষে এক মামলায় তাকে জামিন দেওয়া হলেও অন্যান্য ছয় মামলার বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষকে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডা. দীপু মনি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের টানা শাসনামলে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।
ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই বছরের ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি এবং সহিংসতায় উসকানি ও নির্দেশনার অভিযোগে ৩৮টিরও বেশি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। মামলাগুলো বিভিন্ন সময় রাজধানীর একাধিক থানায় দায়ের করা হয়েছে।
আইনি প্রক্রিয়ার এই নতুন অগ্রগতি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। আদালতের পরবর্তী শুনানিতে বাকি মামলাগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা সাতটি মামলার মধ্যে একটিতে জামিন পেয়েছেন। একই সঙ্গে বাকি ছয় মামলায় তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (৩ জুন) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোতে জামিনের আবেদন শুনানি শেষে এক মামলায় তাকে জামিন দেওয়া হলেও অন্যান্য ছয় মামলার বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষকে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডা. দীপু মনি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের টানা শাসনামলে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।
ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই বছরের ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি এবং সহিংসতায় উসকানি ও নির্দেশনার অভিযোগে ৩৮টিরও বেশি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। মামলাগুলো বিভিন্ন সময় রাজধানীর একাধিক থানায় দায়ের করা হয়েছে।
আইনি প্রক্রিয়ার এই নতুন অগ্রগতি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। আদালতের পরবর্তী শুনানিতে বাকি মামলাগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
