শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

স্থানীয়দের হাতে আটক কয়েকজন

ত্রিশালে কুরবানির পশু বানাতে ছাগলের দাঁত তোলার অভিযোগ

ত্রিশালে কুরবানির পশু বানাতে ছাগলের দাঁত তোলার অভিযোগ
ছবি: চেকপোস্ট

ময়মনসিংহের ত্রিশালে কুরবানির পশু বানাতে অপরিপক্ক ছাগলের দাঁত তুলে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার পৌরসভার মহিলা কলেজ গেইট সংলগ্ন আলভি ডেন্টাল কেয়ার-এ এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লিটন নামের এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীকে স্থানীয়রা পৌরসভার জামে মসজিদ রোড এলাকায় আটক করেন। পরে চাপের মুখে তারা ছাগলের দাঁত তোলার বিষয়টি স্বীকার করেন।

অভিযুক্তদের একজন বলেন, ছাগলের দাঁতটা লড়তাছিল, এইজন্য তুইলা নিয়া বেইচ্চা হালাম।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা বলেন, কুরবানির মতো ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এ ধরনের প্রতারণা নিন্দনীয় এবং পশুর প্রতি চরম অবিচার।

আলভি ডেন্টাল কেয়ার-এর মালিক দন্ত চিকিৎসক আনোয়ার হোসেন মানিক বলেন, তিনি তখন উপস্থিত ছিলেন না এবং তার দোকানের কর্মী না বুঝে এই কাজ করেছে।

রাকিব নামের এক ব্যক্তি দাঁত তোলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, পরিচিত একজনের অনুরোধে তিনি এটি করেছেন, তবে কোনো অর্থ গ্রহণ করেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজনীন সুলতানা বলেন, প্রাণিকল্যাণ আইন অনুযায়ী এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের আইন লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, ১০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

#ত্রিশাল #কুরবানির_পশু #প্রাণিকল্যাণ_আইন

চেকপোস্ট

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬


ত্রিশালে কুরবানির পশু বানাতে ছাগলের দাঁত তোলার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬

featured Image

ময়মনসিংহের ত্রিশালে কুরবানির পশু বানাতে অপরিপক্ক ছাগলের দাঁত তুলে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার পৌরসভার মহিলা কলেজ গেইট সংলগ্ন আলভি ডেন্টাল কেয়ার-এ এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লিটন নামের এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীকে স্থানীয়রা পৌরসভার জামে মসজিদ রোড এলাকায় আটক করেন। পরে চাপের মুখে তারা ছাগলের দাঁত তোলার বিষয়টি স্বীকার করেন।

অভিযুক্তদের একজন বলেন, ছাগলের দাঁতটা লড়তাছিল, এইজন্য তুইলা নিয়া বেইচ্চা হালাম।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা বলেন, কুরবানির মতো ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এ ধরনের প্রতারণা নিন্দনীয় এবং পশুর প্রতি চরম অবিচার।

আলভি ডেন্টাল কেয়ার-এর মালিক দন্ত চিকিৎসক আনোয়ার হোসেন মানিক বলেন, তিনি তখন উপস্থিত ছিলেন না এবং তার দোকানের কর্মী না বুঝে এই কাজ করেছে।

রাকিব নামের এক ব্যক্তি দাঁত তোলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, পরিচিত একজনের অনুরোধে তিনি এটি করেছেন, তবে কোনো অর্থ গ্রহণ করেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজনীন সুলতানা বলেন, প্রাণিকল্যাণ আইন অনুযায়ী এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের আইন লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, ১০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত