ডেনমার্কে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী মুমিনুর রহমান মুমিনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে স্বীকৃত মেডিকেল লাইসেন্স ছাড়াই নিজেকে ‘ডাক্তার’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া, স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রকাশ এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত কনটেন্ট প্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
প্রবাসী কমিউনিটির কয়েকজন সদস্যের দাবি, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের বাসিন্দা মুমিনুর রহমান বাংলাদেশে একটি ফার্মেসিতে কাজ করতেন। তাঁদের অভিযোগ, তিনি স্বীকৃত চিকিৎসক নন। তবে প্রায় এক বছর আগে ডেনমার্কে যাওয়ার পর নিজের ফেসবুক আইডি ও পেজে ‘ডাক্তার’ পরিচয়ে বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিষয়ক পোস্ট প্রকাশ করতে শুরু করেন।
প্রবাসীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ডেনমার্কে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতে স্বীকৃত মেডিকেল ডিগ্রি, সরকারি অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। তাঁদের দাবি, মাত্র এক বছরের মধ্যে এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা বাস্তবসম্মত নয়। তবে এ বিষয়ে মুমিনুর রহমানের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি কোপেনহেগেনের নরেব্রো বাইসেন্টারে দুই বাংলাদেশি প্রবাসীর মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, পরে ডেনিশ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত একজনকে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘটনার পর Ikia Suincei নামে এক বিদেশি নাগরিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত মন্তব্যে জনসমক্ষে এ ধরনের আচরণের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভাবমূর্তির জন্য নেতিবাচক।
ডেনমার্কে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও দক্ষ কর্মীদের জন্য উচ্চশিক্ষা ও অভিবাসনের সুযোগ বাড়ার প্রেক্ষাপটে এমন অভিযোগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কমিউনিটির সদস্যরা। তাঁদের মতে, ব্যক্তি পর্যায়ের বিতর্ক বা আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটির ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই সবাইকে স্থানীয় আইন মেনে চলা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
ডেনমার্কে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী মুমিনুর রহমান মুমিনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে স্বীকৃত মেডিকেল লাইসেন্স ছাড়াই নিজেকে ‘ডাক্তার’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া, স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রকাশ এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত কনটেন্ট প্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
প্রবাসী কমিউনিটির কয়েকজন সদস্যের দাবি, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের বাসিন্দা মুমিনুর রহমান বাংলাদেশে একটি ফার্মেসিতে কাজ করতেন। তাঁদের অভিযোগ, তিনি স্বীকৃত চিকিৎসক নন। তবে প্রায় এক বছর আগে ডেনমার্কে যাওয়ার পর নিজের ফেসবুক আইডি ও পেজে ‘ডাক্তার’ পরিচয়ে বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিষয়ক পোস্ট প্রকাশ করতে শুরু করেন।
প্রবাসীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ডেনমার্কে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতে স্বীকৃত মেডিকেল ডিগ্রি, সরকারি অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। তাঁদের দাবি, মাত্র এক বছরের মধ্যে এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা বাস্তবসম্মত নয়। তবে এ বিষয়ে মুমিনুর রহমানের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি কোপেনহেগেনের নরেব্রো বাইসেন্টারে দুই বাংলাদেশি প্রবাসীর মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, পরে ডেনিশ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত একজনকে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘটনার পর Ikia Suincei নামে এক বিদেশি নাগরিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত মন্তব্যে জনসমক্ষে এ ধরনের আচরণের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভাবমূর্তির জন্য নেতিবাচক।
ডেনমার্কে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও দক্ষ কর্মীদের জন্য উচ্চশিক্ষা ও অভিবাসনের সুযোগ বাড়ার প্রেক্ষাপটে এমন অভিযোগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কমিউনিটির সদস্যরা। তাঁদের মতে, ব্যক্তি পর্যায়ের বিতর্ক বা আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটির ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই সবাইকে স্থানীয় আইন মেনে চলা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।
