খুলনার কয়রা উপজেলার শিমলারআইট গ্রামে এছার আলী সরদার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অবৈধভাবে চলাচলের পথ দখলকে কেন্দ্র করে বাধা দেওয়ায় পরিকল্পিতভাবে এছার আলী সরদারকে হত্যা করা হয়েছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, নিহত এছার আলী সরদার ছিলেন একজন সৎ ও সম্মানিত ব্যক্তি। তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, যা এলাকায় শোক ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এছাড়া মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ৩১ মে ২০২৬ তারিখে সংঘটিত ঘটনায় অবৈধভাবে পথ দখলকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে শাবলের আঘাতে গুরুতর আহত হন এছার আলী সরদার। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় কয়রা থানায় মামলা হয়েছে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
খুলনার কয়রা উপজেলার শিমলারআইট গ্রামে এছার আলী সরদার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অবৈধভাবে চলাচলের পথ দখলকে কেন্দ্র করে বাধা দেওয়ায় পরিকল্পিতভাবে এছার আলী সরদারকে হত্যা করা হয়েছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, নিহত এছার আলী সরদার ছিলেন একজন সৎ ও সম্মানিত ব্যক্তি। তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, যা এলাকায় শোক ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এছাড়া মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ৩১ মে ২০২৬ তারিখে সংঘটিত ঘটনায় অবৈধভাবে পথ দখলকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে শাবলের আঘাতে গুরুতর আহত হন এছার আলী সরদার। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় কয়রা থানায় মামলা হয়েছে।
