গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় অভিযান চালিয়ে একটি মাছের আড়ৎ থেকে ১৭০ কেজি নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মাছ ব্যবসায়ীকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার বিকেলে উপজেলার ঘাঘর বাজার কিচেন মার্কেটের একটি মাছের আড়তে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোটালীপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুম বিল্লাহ। এ সময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এস. এম. শাহাজাহান সিরাজ উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে আড়ত থেকে ১৭০ কেজি নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় মাছগুলো নির্ধারিত স্থানে মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, নিষিদ্ধ মাছ সংরক্ষণ ও বিক্রির অপরাধে আড়তের মালিক ইকবাল হোসেনকে ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এস. এম. শাহাজাহান সিরাজ জানান, নিষিদ্ধ মাছের উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় অভিযান চালিয়ে একটি মাছের আড়ৎ থেকে ১৭০ কেজি নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মাছ ব্যবসায়ীকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার বিকেলে উপজেলার ঘাঘর বাজার কিচেন মার্কেটের একটি মাছের আড়তে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোটালীপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুম বিল্লাহ। এ সময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এস. এম. শাহাজাহান সিরাজ উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে আড়ত থেকে ১৭০ কেজি নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় মাছগুলো নির্ধারিত স্থানে মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, নিষিদ্ধ মাছ সংরক্ষণ ও বিক্রির অপরাধে আড়তের মালিক ইকবাল হোসেনকে ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এস. এম. শাহাজাহান সিরাজ জানান, নিষিদ্ধ মাছের উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
