হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রতিদিনই বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ও আংশিক লোডশেডিংয়ের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দিনের বিভিন্ন সময়ে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া এবং দীর্ঘ সময় পর পুনরায় সরবরাহ চালু হওয়ায় জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে গরমের সময়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় দোকানপাট ও ছোট ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাতেও বিঘ্ন ঘটছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
এলাকাবাসীর দাবি, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটি, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বা চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকলে সাময়িকভাবে লোডশেডিং হতে পারে। তবে সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রতিদিনই বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ও আংশিক লোডশেডিংয়ের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দিনের বিভিন্ন সময়ে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া এবং দীর্ঘ সময় পর পুনরায় সরবরাহ চালু হওয়ায় জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে গরমের সময়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় দোকানপাট ও ছোট ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাতেও বিঘ্ন ঘটছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
এলাকাবাসীর দাবি, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটি, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বা চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকলে সাময়িকভাবে লোডশেডিং হতে পারে। তবে সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
