গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলায় বাবার সঙ্গে অভিমানকে কেন্দ্র করে এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) উপজেলার কুশলা ইউনিয়নের জাঠিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পায়েল বালা (১৪) স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে জাঠিয়া গ্রামের রজ্ঞান বালার মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে পায়েল তার বাবার কাছে ১০০ টাকা চায়। তবে পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে তার বাবা তাৎক্ষণিকভাবে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ নিয়ে অভিমান করে পায়েল নিজ কক্ষে চলে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।
পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও এর আগেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, পায়েল শান্ত স্বভাবের ও পড়াশোনায় মনোযোগী ছিল। তার এমন মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলেন, কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও পারিবারিক যোগাযোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন। ছোটখাটো অভিমান বা মানসিক কষ্ট যেন বড় দুর্ঘটনার কারণ না হয়, সে বিষয়ে পরিবারকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তারা।
এ ঘটনায় স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি বলে জানা গেছে।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলায় বাবার সঙ্গে অভিমানকে কেন্দ্র করে এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) উপজেলার কুশলা ইউনিয়নের জাঠিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পায়েল বালা (১৪) স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে জাঠিয়া গ্রামের রজ্ঞান বালার মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে পায়েল তার বাবার কাছে ১০০ টাকা চায়। তবে পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে তার বাবা তাৎক্ষণিকভাবে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ নিয়ে অভিমান করে পায়েল নিজ কক্ষে চলে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।
পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও এর আগেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, পায়েল শান্ত স্বভাবের ও পড়াশোনায় মনোযোগী ছিল। তার এমন মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলেন, কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও পারিবারিক যোগাযোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন। ছোটখাটো অভিমান বা মানসিক কষ্ট যেন বড় দুর্ঘটনার কারণ না হয়, সে বিষয়ে পরিবারকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তারা।
এ ঘটনায় স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি বলে জানা গেছে।
