ব্যক্তি পর্যায়ে করের চাপ কমাতে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর সঙ্গে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দীর্ঘ সময়ের এই বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নানা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যাংকে জমা রাখা অর্থের ক্ষেত্রে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত কোনো আবগারি শুল্ক দিতে হবে না, যা সাধারণ আমানতকারীদের জন্য স্বস্তির খবর।
এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেমন চাল, ডাল, চিনি ও খেজুরের ওপর উৎসে কর বাড়ানো হচ্ছে না; আগের মতোই ০.৫০ শতাংশ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে চলতি অর্থবছর থেকেই ১ শতাংশ হারে সম্পদ কর চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ডিজিটাল খাতে কর বাড়িয়ে অনলাইন গেমিংয়ের ওপর ২৫ শতাংশ উৎসে কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিলাসবহুল গাড়ির ক্ষেত্রে অগ্রিম আয়কর উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে ৩৫০০ সিসির বেশি গাড়ির জন্য ২ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করা হয়েছে।
এদিকে, ব্যাংক হিসাব খুলতে বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। তবে এই নম্বর পেতে জটিলতা কমাতে তাৎক্ষণিকভাবে অনুমোদনের ব্যবস্থা রাখা হবে বলে জানা গেছে।
সরকার আগামী অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর মাধ্যমে ৬ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি নন-ট্যাক্স উৎস থেকে আরও ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।
এই বাজেট প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের করের চাপ কিছুটা কমবে, অন্যদিকে রাজস্ব আদায়ে সরকারের সক্ষমতাও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
ব্যক্তি পর্যায়ে করের চাপ কমাতে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর সঙ্গে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দীর্ঘ সময়ের এই বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নানা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যাংকে জমা রাখা অর্থের ক্ষেত্রে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত কোনো আবগারি শুল্ক দিতে হবে না, যা সাধারণ আমানতকারীদের জন্য স্বস্তির খবর।
এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেমন চাল, ডাল, চিনি ও খেজুরের ওপর উৎসে কর বাড়ানো হচ্ছে না; আগের মতোই ০.৫০ শতাংশ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে চলতি অর্থবছর থেকেই ১ শতাংশ হারে সম্পদ কর চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ডিজিটাল খাতে কর বাড়িয়ে অনলাইন গেমিংয়ের ওপর ২৫ শতাংশ উৎসে কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিলাসবহুল গাড়ির ক্ষেত্রে অগ্রিম আয়কর উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে ৩৫০০ সিসির বেশি গাড়ির জন্য ২ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করা হয়েছে।
এদিকে, ব্যাংক হিসাব খুলতে বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। তবে এই নম্বর পেতে জটিলতা কমাতে তাৎক্ষণিকভাবে অনুমোদনের ব্যবস্থা রাখা হবে বলে জানা গেছে।
সরকার আগামী অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর মাধ্যমে ৬ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি নন-ট্যাক্স উৎস থেকে আরও ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।
এই বাজেট প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের করের চাপ কিছুটা কমবে, অন্যদিকে রাজস্ব আদায়ে সরকারের সক্ষমতাও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
