পর্যটন নগরী কক্সবাজার সফরকে ঘিরে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। শনিবার (১৩ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও পর্যটন উন্নয়নের একগুচ্ছ প্রত্যাশা সামনে এসেছে।
স্থানীয়দের প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে কক্সবাজারে ব্লু ইকোনমি ও মেরিন সায়েন্সভিত্তিক একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীতকরণ, কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তর এবং আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য ৫০০ শয্যার হাসপাতাল সম্প্রসারণ।
এছাড়া কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু নির্মাণ, লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, পর্যটন খাতে আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার দাবিও রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং স্থানীয় জনসভায় বক্তব্য দেবেন।
সফর ঘিরে পুরো কক্সবাজারে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিন হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী ও পর্যটন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সফর কক্সবাজারের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বঞ্চনার নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
পর্যটন নগরী কক্সবাজার সফরকে ঘিরে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। শনিবার (১৩ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও পর্যটন উন্নয়নের একগুচ্ছ প্রত্যাশা সামনে এসেছে।
স্থানীয়দের প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে কক্সবাজারে ব্লু ইকোনমি ও মেরিন সায়েন্সভিত্তিক একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীতকরণ, কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তর এবং আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য ৫০০ শয্যার হাসপাতাল সম্প্রসারণ।
এছাড়া কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু নির্মাণ, লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, পর্যটন খাতে আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার দাবিও রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং স্থানীয় জনসভায় বক্তব্য দেবেন।
সফর ঘিরে পুরো কক্সবাজারে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিন হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী ও পর্যটন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সফর কক্সবাজারের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বঞ্চনার নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
