গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামের কিশোর রিয়ান মোল্লা (১৩) হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকাবাসী।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কমলাপুর এলাকায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে শতাধিক নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। এ সময় ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরা হয়।
নিহত রিয়ানের বাবা রিপন মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলেকে খেলা দেখার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে মুকসুদপুর থানা পুলিশের একটি দল কমলাপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে রিয়ানের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) মো. নাফিছুর রহমান, মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুল্লাহ আল মামুন ও তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরিফ ও মুরছালিন নামে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রিয়ানের মৃত্যু পুরো এলাকাকে শোকাহত করেছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামের কিশোর রিয়ান মোল্লা (১৩) হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকাবাসী।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কমলাপুর এলাকায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে শতাধিক নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। এ সময় ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরা হয়।
নিহত রিয়ানের বাবা রিপন মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলেকে খেলা দেখার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে মুকসুদপুর থানা পুলিশের একটি দল কমলাপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে রিয়ানের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) মো. নাফিছুর রহমান, মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুল্লাহ আল মামুন ও তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরিফ ও মুরছালিন নামে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রিয়ানের মৃত্যু পুরো এলাকাকে শোকাহত করেছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
