মানিকগঞ্জে স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিযানে অনিয়ম পাওয়ায় দুটি হাসপাতাল ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে সিভিল সার্জন ডা. আইভী ফেরদৌসের নেতৃত্বে জেলার বিভিন্ন বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে লাইসেন্স নবায়ন না থাকা, কর্তব্যরত চিকিৎসক না পাওয়া, লেবার রুম না থাকা এবং প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক বিভাগে অনিয়মের অভিযোগে আল রাফী জেনারেল হাসপাতাল, যমুনা জেনারেল হাসপাতাল এবং মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এছাড়া মানিকগঞ্জ শিশু ও জেনারেল হাসপাতালকে মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
পরিদর্শনে জয়রা রোডের আল রাফী জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রতিষ্ঠানটির ২০১৯-২০২০ সালের পর থেকে লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লেবার রুম স্থাপন না করা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন না থাকার অভিযোগও পাওয়া যায়। পাশাপাশি পরিদর্শনের সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক ও ডিপ্লোমা নার্স পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আল রাফী জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক সজল মিয়া। তিনি অভিযানের সময় সিভিল সার্জনের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তার প্রতিষ্ঠানে নিয়ম মেনে সেবা দেওয়া হয় বলে দাবি করেন।
অন্যদিকে যমুনা জেনারেল হাসপাতালেও দীর্ঘদিন লাইসেন্স নবায়ন না থাকা, চিকিৎসক অনুপস্থিতি ও লেবার রুম না থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়। একই সঙ্গে বন্ধ করা তিনটি প্রতিষ্ঠানের প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক বিভাগেও বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করা হয়।
সিভিল সার্জন ডা. আইভী ফেরদৌস বলেন, মানিকগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবাকে জনবান্ধব ও মানসম্মত করতে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত অভিযান চলবে। জনস্বার্থে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
মানিকগঞ্জে স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিযানে অনিয়ম পাওয়ায় দুটি হাসপাতাল ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে সিভিল সার্জন ডা. আইভী ফেরদৌসের নেতৃত্বে জেলার বিভিন্ন বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে লাইসেন্স নবায়ন না থাকা, কর্তব্যরত চিকিৎসক না পাওয়া, লেবার রুম না থাকা এবং প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক বিভাগে অনিয়মের অভিযোগে আল রাফী জেনারেল হাসপাতাল, যমুনা জেনারেল হাসপাতাল এবং মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এছাড়া মানিকগঞ্জ শিশু ও জেনারেল হাসপাতালকে মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
পরিদর্শনে জয়রা রোডের আল রাফী জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রতিষ্ঠানটির ২০১৯-২০২০ সালের পর থেকে লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লেবার রুম স্থাপন না করা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন না থাকার অভিযোগও পাওয়া যায়। পাশাপাশি পরিদর্শনের সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক ও ডিপ্লোমা নার্স পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আল রাফী জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক সজল মিয়া। তিনি অভিযানের সময় সিভিল সার্জনের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তার প্রতিষ্ঠানে নিয়ম মেনে সেবা দেওয়া হয় বলে দাবি করেন।
অন্যদিকে যমুনা জেনারেল হাসপাতালেও দীর্ঘদিন লাইসেন্স নবায়ন না থাকা, চিকিৎসক অনুপস্থিতি ও লেবার রুম না থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়। একই সঙ্গে বন্ধ করা তিনটি প্রতিষ্ঠানের প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক বিভাগেও বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করা হয়।
সিভিল সার্জন ডা. আইভী ফেরদৌস বলেন, মানিকগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবাকে জনবান্ধব ও মানসম্মত করতে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত অভিযান চলবে। জনস্বার্থে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
