গোপালগঞ্জ আদালতে বিচার চলাকালে শিক্ষানবিশ এক নারী আইনজীবী আহত হওয়ার ঘটনায় আলোচিত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুজন মিয়াকে বদলি করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে মো. সুজন মিয়াকে গোপালগঞ্জ থেকে প্রত্যাহার করে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত কর্মকর্তা (সিভিল জজ) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
তাকে ২৩ জুলাই বিকেলের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ঘটনাটি ঘটে বুধবার (২২ জুলাই) গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এ। অভিযোগ অনুযায়ী, বিচার চলাকালে আদালতকক্ষের পেছনে কথাবার্তা চলতে দেখে বিচারক একটি কাঁচের পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় আঘাত করলে তিনি আহত হন।
পরে সহকর্মীরা তাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা বিচারকের আচরণের নিন্দা জানিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। বৃহস্পতিবার সকালে আইনজীবীদের একটি অংশ আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে বিচারকের প্রত্যাহার এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে।
ঘটনার পরদিনই সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিচারক মো. সুজন মিয়াকে গোপালগঞ্জ থেকে বদলি করা হলো।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জ আদালতে বিচার চলাকালে শিক্ষানবিশ এক নারী আইনজীবী আহত হওয়ার ঘটনায় আলোচিত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুজন মিয়াকে বদলি করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে মো. সুজন মিয়াকে গোপালগঞ্জ থেকে প্রত্যাহার করে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত কর্মকর্তা (সিভিল জজ) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
তাকে ২৩ জুলাই বিকেলের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ঘটনাটি ঘটে বুধবার (২২ জুলাই) গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এ। অভিযোগ অনুযায়ী, বিচার চলাকালে আদালতকক্ষের পেছনে কথাবার্তা চলতে দেখে বিচারক একটি কাঁচের পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় আঘাত করলে তিনি আহত হন।
পরে সহকর্মীরা তাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা বিচারকের আচরণের নিন্দা জানিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। বৃহস্পতিবার সকালে আইনজীবীদের একটি অংশ আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে বিচারকের প্রত্যাহার এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে।
ঘটনার পরদিনই সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিচারক মো. সুজন মিয়াকে গোপালগঞ্জ থেকে বদলি করা হলো।
