খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার তেতুলতলা এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত যুবকের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। নিহতের নাম রাজন (৩০)। তিনি খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন গেবরচাকা শাহ বাড়ি এলাকার রাজুর ছেলে। পেশায় তিনি ইজিবাইক চালক ছিলেন।
বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বটিয়াঘাটা উপজেলার তেতুলতলা এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিদ্যুতের খুঁটির নিচে থাকা একটি পরিত্যক্ত ঘরের ভেতর স্থানীয়রা একটি মরদেহ দেখতে পান।
খবর পেয়ে বটিয়াঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল কার্যক্রম শুরু করে। প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা না গেলেও পরে পুলিশ নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে।
বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মারুফ হোসেন জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি ইজিবাইক চালক রাজনের। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে সোনাডাঙ্গা থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, রাজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার পরিবারের সদস্যরা বুধবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। পরে বটিয়াঘাটা থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি রাজনের বলে নিশ্চিত হন তারা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো ইজিবাইক নিয়ে বের হওয়ার পর থেকেই রাজনের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর থানায় জিডি করেন স্বজনরা।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার তেতুলতলা এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত যুবকের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। নিহতের নাম রাজন (৩০)। তিনি খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন গেবরচাকা শাহ বাড়ি এলাকার রাজুর ছেলে। পেশায় তিনি ইজিবাইক চালক ছিলেন।
বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বটিয়াঘাটা উপজেলার তেতুলতলা এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিদ্যুতের খুঁটির নিচে থাকা একটি পরিত্যক্ত ঘরের ভেতর স্থানীয়রা একটি মরদেহ দেখতে পান।
খবর পেয়ে বটিয়াঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল কার্যক্রম শুরু করে। প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা না গেলেও পরে পুলিশ নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে।
বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মারুফ হোসেন জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি ইজিবাইক চালক রাজনের। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে সোনাডাঙ্গা থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, রাজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার পরিবারের সদস্যরা বুধবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। পরে বটিয়াঘাটা থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি রাজনের বলে নিশ্চিত হন তারা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো ইজিবাইক নিয়ে বের হওয়ার পর থেকেই রাজনের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর থানায় জিডি করেন স্বজনরা।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
