২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে ৯৩ শতাংশ আসন পূরণ হবে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে। বাকি ৭ শতাংশ আসন থাকবে কোটার জন্য।
নীতিমালা অনুযায়ী, ৫ শতাংশ আসন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য থাকবে ২ শতাংশ কোটা।
সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রকাশিত এ নীতিমালায় জানানো হয়েছে, এবারও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।
ভর্তির জন্য এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং ধারাবাহিকভাবে আগের দুই বছরের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা—যেকোনো বিভাগ বেছে নিতে পারবেন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরাও নিজ বিভাগের পাশাপাশি অন্য বিভাগে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
সমান জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।
সমান নম্বর হলে বিজ্ঞান বিভাগের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত বা জীববিজ্ঞানের নম্বর বিবেচনা করা হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ক্ষেত্রে ইংরেজি, গণিত ও বাংলার নম্বরকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
স্কুল অ্যান্ড কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানে নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজ বিভাগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবেন।
অনলাইনে আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীকে ২২০ টাকা ফি দিতে হবে। চূড়ান্ত সিট নিশ্চয়নের সময় বোর্ডকে রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য ফি বাবদ দিতে হবে ৩৩৫ টাকা।
এমপিওভুক্ত কলেজের জন্য এলাকাভেদে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর এলাকার প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা, জেলা সদরে ২ হাজার টাকা এবং মফস্বল এলাকায় ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তি ফি নেওয়া যাবে।
নন-এমপিও ও আংশিক এমপিওভুক্ত কলেজে ঢাকা মহানগর এলাকায় বাংলা ভার্সনের জন্য সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনের জন্য ৮ হাজার ৫০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ভর্তি ফি যথাসম্ভব মওকুফ করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সিট নিশ্চয়ন করতে হবে।
চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপর নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হবে।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে ৯৩ শতাংশ আসন পূরণ হবে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে। বাকি ৭ শতাংশ আসন থাকবে কোটার জন্য।
নীতিমালা অনুযায়ী, ৫ শতাংশ আসন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য থাকবে ২ শতাংশ কোটা।
সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রকাশিত এ নীতিমালায় জানানো হয়েছে, এবারও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।
ভর্তির জন্য এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং ধারাবাহিকভাবে আগের দুই বছরের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা—যেকোনো বিভাগ বেছে নিতে পারবেন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরাও নিজ বিভাগের পাশাপাশি অন্য বিভাগে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
সমান জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।
সমান নম্বর হলে বিজ্ঞান বিভাগের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত বা জীববিজ্ঞানের নম্বর বিবেচনা করা হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ক্ষেত্রে ইংরেজি, গণিত ও বাংলার নম্বরকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
স্কুল অ্যান্ড কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানে নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজ বিভাগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবেন।
অনলাইনে আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীকে ২২০ টাকা ফি দিতে হবে। চূড়ান্ত সিট নিশ্চয়নের সময় বোর্ডকে রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য ফি বাবদ দিতে হবে ৩৩৫ টাকা।
এমপিওভুক্ত কলেজের জন্য এলাকাভেদে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর এলাকার প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা, জেলা সদরে ২ হাজার টাকা এবং মফস্বল এলাকায় ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তি ফি নেওয়া যাবে।
নন-এমপিও ও আংশিক এমপিওভুক্ত কলেজে ঢাকা মহানগর এলাকায় বাংলা ভার্সনের জন্য সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনের জন্য ৮ হাজার ৫০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ভর্তি ফি যথাসম্ভব মওকুফ করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সিট নিশ্চয়ন করতে হবে।
চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপর নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হবে।
