রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

শিক্ষা

অর্থ ও সনদ তুলে দিল ডাকসু

ফেলানীর স্মরণে ডাকসুর খোলা চিঠি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

ফেলানীর স্মরণে ডাকসুর খোলা চিঠি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
ডাকসুর সভাকক্ষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আয়োজক ও বিজয়ীরা। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) আয়োজিত ‘ফেলানীকে উদ্দেশ করে খোলা চিঠি লিখন প্রতিযোগিতা-২০২৬’ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল ৫টায় ডাকসুর সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে নগদ অর্থ, সনদপত্র ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা।

ফেলানীর স্মৃতি তরুণদের অনুপ্রেরণা

অনুষ্ঠানে বক্তারা ফেলানীর স্মৃতিকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও ন্যায়ের দাবির প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।

সুফিয়া কামাল হল সংসদের সাহিত্য সম্পাদক সানজিদা আক্তার শ্রেয়সী বলেন, ফেলানীর আত্মত্যাগ তরুণ প্রজন্মকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার প্রেরণা দেয়। সীমান্ত হত্যার বিচার ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় জাতীয় সচেতনতা ধরে রাখার আহ্বান জানান তিনি।

শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল সংসদের ভিপি আহসান হাবীব ইমরোজ বলেন, ফেলানীর স্মৃতি ধারণ করে সীমান্ত হত্যা ও সব ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে তরুণদের ভূমিকা রাখতে হবে।

ন্যায়ের দাবির কথা তুলে ধরেন বক্তারা

স্বাগত বক্তব্যে মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ ফেলানীর ঘটনাকে বাংলাদেশের মানুষের জন্য গভীর বেদনার স্মৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ফেলানীর হত্যাকাণ্ড সীমান্ত নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও ন্যায়ের প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে আছে। এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

সার্বভৌমত্ব ও ন্যায্য অধিকারের প্রসঙ্গ

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান বলেন, ফেলানী দেশের সার্বভৌমত্ব ও ন্যায্য অধিকার রক্ষার সংগ্রামের একটি প্রতীক।

তিনি বলেন, দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে জনগণের স্বার্থ, সীমান্ত নিরাপত্তা ও ন্যায্য অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। ফেলানীর স্মৃতি যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি দেয়।

বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারীকে ৫ হাজার টাকা, দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারীকে ৩ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারীকে ২ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোট ১৩ জন বিজয়ীকে সনদপত্র ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আসফাকউল্লাহ আসিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য, হল সংসদের নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

#ডাকসু #সীমান্ত_হত্যা #ফেলানী

চেকপোস্ট

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


ফেলানীর স্মরণে ডাকসুর খোলা চিঠি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) আয়োজিত ‘ফেলানীকে উদ্দেশ করে খোলা চিঠি লিখন প্রতিযোগিতা-২০২৬’ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল ৫টায় ডাকসুর সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে নগদ অর্থ, সনদপত্র ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা।

ফেলানীর স্মৃতি তরুণদের অনুপ্রেরণা

অনুষ্ঠানে বক্তারা ফেলানীর স্মৃতিকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও ন্যায়ের দাবির প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।

সুফিয়া কামাল হল সংসদের সাহিত্য সম্পাদক সানজিদা আক্তার শ্রেয়সী বলেন, ফেলানীর আত্মত্যাগ তরুণ প্রজন্মকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার প্রেরণা দেয়। সীমান্ত হত্যার বিচার ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় জাতীয় সচেতনতা ধরে রাখার আহ্বান জানান তিনি।

শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল সংসদের ভিপি আহসান হাবীব ইমরোজ বলেন, ফেলানীর স্মৃতি ধারণ করে সীমান্ত হত্যা ও সব ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে তরুণদের ভূমিকা রাখতে হবে।

ন্যায়ের দাবির কথা তুলে ধরেন বক্তারা

স্বাগত বক্তব্যে মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ ফেলানীর ঘটনাকে বাংলাদেশের মানুষের জন্য গভীর বেদনার স্মৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ফেলানীর হত্যাকাণ্ড সীমান্ত নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও ন্যায়ের প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে আছে। এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

সার্বভৌমত্ব ও ন্যায্য অধিকারের প্রসঙ্গ

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান বলেন, ফেলানী দেশের সার্বভৌমত্ব ও ন্যায্য অধিকার রক্ষার সংগ্রামের একটি প্রতীক।

তিনি বলেন, দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে জনগণের স্বার্থ, সীমান্ত নিরাপত্তা ও ন্যায্য অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। ফেলানীর স্মৃতি যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি দেয়।

বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারীকে ৫ হাজার টাকা, দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারীকে ৩ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারীকে ২ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোট ১৩ জন বিজয়ীকে সনদপত্র ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আসফাকউল্লাহ আসিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য, হল সংসদের নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত