হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৩২ শিশু।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৩৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে মারা গেছে আরও ৯৯ শিশু। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩৮ জনে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৩ শিশু নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে। অন্যদিকে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৪৯ শিশু।
এ সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫৫ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯৪৬ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৫২ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৪৮৭।
এ সময়ের মধ্যে মোট ১ লাখ ৩১ হাজার ৬৬৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২১ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৩২ শিশু।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৩৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে মারা গেছে আরও ৯৯ শিশু। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩৮ জনে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৩ শিশু নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে। অন্যদিকে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৪৯ শিশু।
এ সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫৫ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯৪৬ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৫২ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৪৮৭।
এ সময়ের মধ্যে মোট ১ লাখ ৩১ হাজার ৬৬৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২১ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
