শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ

ঈদের ভিজিএফ চালে অনিয়মের অভিযোগ, জামালপুরে ১০ কেজির বদলে মিলছে কম

ঈদের ভিজিএফ চালে অনিয়মের অভিযোগ, জামালপুরে ১০ কেজির বদলে মিলছে কম
ছবি: চেকপোস্ট

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে জামালপুরের শরীফপুর ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রত্যেক উপকারভোগীর ১০ কেজি করে চাল পাওয়ার কথা থাকলেও অনেককে দেওয়া হচ্ছে সাড়ে ৮ কেজি থেকে সোয়া ৯ কেজি চাল। ডিজিটাল মিটার ব্যবহার না করে বালতিতে মেপে চাল বিতরণের কারণেই এমন অনিয়ম হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

শুক্রবার (২২ মে) ইউনিয়নের প্রায় ৭ হাজার ৩০০ উপকারভোগীর মাঝে ৭৩ মেট্রিক টন চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। তবে দুপুর থেকেই পরিষদ এলাকায় চাল কালোবাজারিদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যক্তি একসঙ্গে ৫টি পর্যন্ত স্লিপ ব্যবহার করে ৫০ কেজি চাল উত্তোলন করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ইউনিয়ন পরিষদের সামনেই চাল কেনাবেচার অঘোষিত বাজার বসে যায়। অভিযোগ রয়েছে, পরিষদের কয়েকজন সদস্য স্লিপ বিক্রি করেছেন কালোবাজারিদের কাছে।

সুবিধাভোগী সুলতানা বেওয়া অভিযোগ করে বলেন, ১০ কেজি দেওয়ার কথা থাকলেও আমি পেয়েছি মাত্র ৯ কেজি চাল।

অভিযোগের বিষয়ে ইউনিয়ন সচিব ফরিদ খান বলেন, আমি কিছু সময়ের জন্য বিশ্রামে ছিলাম। দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতার বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।

#জামালপুর #ভিজিএফ_চাল #চাল_অনিয়ম

চেকপোস্ট

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬


ঈদের ভিজিএফ চালে অনিয়মের অভিযোগ, জামালপুরে ১০ কেজির বদলে মিলছে কম

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬

featured Image

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে জামালপুরের শরীফপুর ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রত্যেক উপকারভোগীর ১০ কেজি করে চাল পাওয়ার কথা থাকলেও অনেককে দেওয়া হচ্ছে সাড়ে ৮ কেজি থেকে সোয়া ৯ কেজি চাল। ডিজিটাল মিটার ব্যবহার না করে বালতিতে মেপে চাল বিতরণের কারণেই এমন অনিয়ম হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

শুক্রবার (২২ মে) ইউনিয়নের প্রায় ৭ হাজার ৩০০ উপকারভোগীর মাঝে ৭৩ মেট্রিক টন চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। তবে দুপুর থেকেই পরিষদ এলাকায় চাল কালোবাজারিদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যক্তি একসঙ্গে ৫টি পর্যন্ত স্লিপ ব্যবহার করে ৫০ কেজি চাল উত্তোলন করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ইউনিয়ন পরিষদের সামনেই চাল কেনাবেচার অঘোষিত বাজার বসে যায়। অভিযোগ রয়েছে, পরিষদের কয়েকজন সদস্য স্লিপ বিক্রি করেছেন কালোবাজারিদের কাছে।

সুবিধাভোগী সুলতানা বেওয়া অভিযোগ করে বলেন, ১০ কেজি দেওয়ার কথা থাকলেও আমি পেয়েছি মাত্র ৯ কেজি চাল।

অভিযোগের বিষয়ে ইউনিয়ন সচিব ফরিদ খান বলেন, আমি কিছু সময়ের জন্য বিশ্রামে ছিলাম। দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতার বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত