কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদা বলেছেন, “সারাদেশে ২৫০ আসনে প্রার্থী দিয়েছেন, কিন্তু বাকি ৫০ আসনে যে প্রার্থী দেননি, তারা বেহেশতে কীভাবে যাবে?” তিনি আরও বলেন, “এখন নতুন ফর্মুলা নিয়ে এসেছে, পাল্লায় ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে—এটা কীভাবে সম্ভব?”
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রাত ৯টায় চৌদ্দগ্রামের এইচ জে সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং কামরুল হুদার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনছিলেন।
কামরুল হুদা বলেন, “এই চৌদ্দগ্রাম অন্য কারও ঘাঁটি নয়। এটি এখন আপনার (তারেক রহমান) নেতাকর্মীদের ঘাঁটি। প্রতিপক্ষ এককভাবে নির্বাচন করলেও আমরা ইতিহাসে দেখেছি, ২০০১ সালের চার দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরও আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার করা হয়েছিল।”
তিনি আরও জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করা হবে। স্বাধীনতার পর চৌদ্দগ্রামে অনেক প্রার্থী আসলেও ধানের শীষই নির্বাচনী লড়াইয়ে জয়ী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কামরুল হুদা।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাক মিয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদা বলেছেন, “সারাদেশে ২৫০ আসনে প্রার্থী দিয়েছেন, কিন্তু বাকি ৫০ আসনে যে প্রার্থী দেননি, তারা বেহেশতে কীভাবে যাবে?” তিনি আরও বলেন, “এখন নতুন ফর্মুলা নিয়ে এসেছে, পাল্লায় ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে—এটা কীভাবে সম্ভব?”
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রাত ৯টায় চৌদ্দগ্রামের এইচ জে সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং কামরুল হুদার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনছিলেন।
কামরুল হুদা বলেন, “এই চৌদ্দগ্রাম অন্য কারও ঘাঁটি নয়। এটি এখন আপনার (তারেক রহমান) নেতাকর্মীদের ঘাঁটি। প্রতিপক্ষ এককভাবে নির্বাচন করলেও আমরা ইতিহাসে দেখেছি, ২০০১ সালের চার দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরও আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার করা হয়েছিল।”
তিনি আরও জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করা হবে। স্বাধীনতার পর চৌদ্দগ্রামে অনেক প্রার্থী আসলেও ধানের শীষই নির্বাচনী লড়াইয়ে জয়ী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কামরুল হুদা।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাক মিয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
