চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

মুক্তিযুদ্ধকালে শেখ মুজিব ছিলেন পাকিস্তানে বন্দি-হবিগঞ্জে সমাবেশে মির্জা ফখরুল

প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
মুক্তিযুদ্ধকালে শেখ মুজিব ছিলেন পাকিস্তানে বন্দি-হবিগঞ্জে সমাবেশে মির্জা ফখরুল

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা ও জনতার এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সদরদপ্তর হিসেবে পরিচিত এই স্থানে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ কোনো এক ব্যক্তির নির্দেশে শুরু হয়নি। তার দাবি অনুযায়ী, সে সময় শেখ মুজিবুর রহমান বন্দি হয়ে পাকিস্তানে চলে যান। তিনি আরও বলেন, ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর হামলার প্রেক্ষিতে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

সমাবেশে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী খালেদা জিয়া। তার বক্তব্য অনুযায়ী, যুদ্ধের সময় সেনা সদস্যরা তার কাছে পরামর্শ চাইলে তিনি অস্ত্র সমর্পণ না করার নির্দেশ দেন এবং পরে পাকিস্তানি বাহিনী তাকে গ্রেফতার করে।

তিনি বলেন, তেলিয়াপাড়া থেকেই মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় এবং আতাউল গণি ওসমানী-এর নেতৃত্বে যুদ্ধ পরিচালিত হয়। তবে তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ ওসমানীকে যথাযথ মূল্যায়ন করেনি।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব হুমায়ূন কবিরের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি, জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ জি কে গউছ এমপি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চীফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


মুক্তিযুদ্ধকালে শেখ মুজিব ছিলেন পাকিস্তানে বন্দি-হবিগঞ্জে সমাবেশে মির্জা ফখরুল

প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা ও জনতার এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সদরদপ্তর হিসেবে পরিচিত এই স্থানে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ কোনো এক ব্যক্তির নির্দেশে শুরু হয়নি। তার দাবি অনুযায়ী, সে সময় শেখ মুজিবুর রহমান বন্দি হয়ে পাকিস্তানে চলে যান। তিনি আরও বলেন, ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর হামলার প্রেক্ষিতে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

সমাবেশে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী খালেদা জিয়া। তার বক্তব্য অনুযায়ী, যুদ্ধের সময় সেনা সদস্যরা তার কাছে পরামর্শ চাইলে তিনি অস্ত্র সমর্পণ না করার নির্দেশ দেন এবং পরে পাকিস্তানি বাহিনী তাকে গ্রেফতার করে।

তিনি বলেন, তেলিয়াপাড়া থেকেই মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় এবং আতাউল গণি ওসমানী-এর নেতৃত্বে যুদ্ধ পরিচালিত হয়। তবে তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ ওসমানীকে যথাযথ মূল্যায়ন করেনি।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব হুমায়ূন কবিরের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি, জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ জি কে গউছ এমপি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চীফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত