র্যাব-৯ এর অভিযানে সুনামগঞ্জে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘটিত ‘মিতা বেগম’ হত্যা মামলার এক পলাতক আসামিকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯ সদর কোম্পানী সিলেট এবং সিপিসি-৩ সুনামগঞ্জের যৌথ দল সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার ঢোলাখাল শিমুলতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামিকে আটক করে।
গ্রেফতারকৃত আসামির নাম খাদিজা বেগম (২৩)। তিনি দিরাই উপজেলার বাগবাড়ী গ্রামের টিটু মিয়ার স্ত্রী এবং মামলার এজাহারনামীয় ৪নং পলাতক আসামি।
মামলা সূত্রে জানা যায়, দিরাই থানাধীন বাগবাড়ি এলাকায় গত ২৯ মে ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যায় পাওনা ৭,৫০০ টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ভিকটিম মিতা বেগমকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।
পরবর্তীতে নিহতের মা বাদী হয়ে দিরাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-০১, তারিখ ০১/০৬/২৬, ধারা ১৪৩/৩২৩/৩০২/১১৪ পেনাল কোড ১৮৬০)।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকে পলাতক আসামিদের ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় অভিযান চালিয়ে খাদিজা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম শহীদুল ইসলাম সোহাগ জানান, আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
র্যাব-৯ এর অভিযানে সুনামগঞ্জে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘটিত ‘মিতা বেগম’ হত্যা মামলার এক পলাতক আসামিকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯ সদর কোম্পানী সিলেট এবং সিপিসি-৩ সুনামগঞ্জের যৌথ দল সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার ঢোলাখাল শিমুলতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামিকে আটক করে।
গ্রেফতারকৃত আসামির নাম খাদিজা বেগম (২৩)। তিনি দিরাই উপজেলার বাগবাড়ী গ্রামের টিটু মিয়ার স্ত্রী এবং মামলার এজাহারনামীয় ৪নং পলাতক আসামি।
মামলা সূত্রে জানা যায়, দিরাই থানাধীন বাগবাড়ি এলাকায় গত ২৯ মে ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যায় পাওনা ৭,৫০০ টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ভিকটিম মিতা বেগমকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।
পরবর্তীতে নিহতের মা বাদী হয়ে দিরাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-০১, তারিখ ০১/০৬/২৬, ধারা ১৪৩/৩২৩/৩০২/১১৪ পেনাল কোড ১৮৬০)।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকে পলাতক আসামিদের ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় অভিযান চালিয়ে খাদিজা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম শহীদুল ইসলাম সোহাগ জানান, আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
