খুলনার কয়রা উপজেলার শিমলারআইট গ্রামে চলাচলের পথ ঘেরা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কয়রা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে (জিআর-৪৬/২০২৬)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মহারাজপুর ইউনিয়নের এছার আলী সরদার গং এবং আঃ হালিম সরদার গংয়ের মধ্যে চলাচলের পথ দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর আগেও বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী আদালতে মামলা হলে আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।
তবে অভিযোগ রয়েছে, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও চলাচলের পথ ঘেরা ও দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র ধারালো দা, চাইনিজ কুড়াল, শাবল ও লোহার রড দিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালানো হয়।
এ ঘটনায় এছার আলী সরদার, ফরিদা বেগম, মনিরুল ও মিনার গুরুতর আহত হন। তাদেরকে প্রথমে জায়গীরমহল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এছার আলীর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগায় পরে তাকে সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের জন্য ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত পক্ষ প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলের চেষ্টা ও হয়রানি করে আসছিল। তাদের দাবি, চলাচলের পথ দখলকে কেন্দ্র করেই এই সহিংস ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মোট ৭ জন নামীয় ও ৪/৫ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে কয়রা থানায় মামলা করা হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. তাওহিদুল ইসলাম জানান, মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
খুলনার কয়রা উপজেলার শিমলারআইট গ্রামে চলাচলের পথ ঘেরা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কয়রা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে (জিআর-৪৬/২০২৬)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মহারাজপুর ইউনিয়নের এছার আলী সরদার গং এবং আঃ হালিম সরদার গংয়ের মধ্যে চলাচলের পথ দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর আগেও বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী আদালতে মামলা হলে আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।
তবে অভিযোগ রয়েছে, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও চলাচলের পথ ঘেরা ও দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র ধারালো দা, চাইনিজ কুড়াল, শাবল ও লোহার রড দিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালানো হয়।
এ ঘটনায় এছার আলী সরদার, ফরিদা বেগম, মনিরুল ও মিনার গুরুতর আহত হন। তাদেরকে প্রথমে জায়গীরমহল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এছার আলীর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগায় পরে তাকে সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের জন্য ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত পক্ষ প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলের চেষ্টা ও হয়রানি করে আসছিল। তাদের দাবি, চলাচলের পথ দখলকে কেন্দ্র করেই এই সহিংস ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মোট ৭ জন নামীয় ও ৪/৫ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে কয়রা থানায় মামলা করা হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. তাওহিদুল ইসলাম জানান, মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
