চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

মাদারগঞ্জে ২০১ স্কুলের ১১৬টিতে নেই প্রধান শিক্ষক

প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
মাদারগঞ্জে ২০১ স্কুলের ১১৬টিতে নেই প্রধান শিক্ষক

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ২০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১৬টিতে নেই প্রধান শিক্ষক। একইভাবে ২৯টি বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য। এতে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষকদের উপর দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে পাঠদানে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে ১১৬টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের পদ শূন্য মামলাজনিত জটিলতায় আটকে আছে। বাকি ৭৯টি প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষকরা ‘ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অভিভাবক আব্দুর রহিম বলেন, “প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়গুলোতে সঠিকভাবে ক্লাস পরিচালনা হয় না। সহকারী শিক্ষককে দাপ্তরিক কাজ করতে হয়, ফলে পাঠদানে ঘাটতি থেকে যায়।”
অভিভাবক বাবু ও রাজু মিয়াসহ অনেকে একই অভিযোগ করেছেন।

অন্যদিকে সহকারী শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, “ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। অন্যদিকে সমমর্যাদার হওয়ায় অনেক সহকর্মী তাদের নির্দেশ মানতে চান না। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।”

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মাদারগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক ও চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শওকত আলী বলেন, “প্রধান শিক্ষক শূন্য থাকায় শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। দ্রুত পদোন্নতি, নতুন নিয়োগ ও পদায়নের মাধ্যমে সংকট সমাধান জরুরি।”

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নুরুল আমিন বলেন, “অবসর, বদলি, মৃত্যু ও মামলাজনিত কারণে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হয়েছে। তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে।”

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


মাদারগঞ্জে ২০১ স্কুলের ১১৬টিতে নেই প্রধান শিক্ষক

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৫

featured Image

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ২০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১৬টিতে নেই প্রধান শিক্ষক। একইভাবে ২৯টি বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য। এতে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষকদের উপর দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে পাঠদানে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে ১১৬টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের পদ শূন্য মামলাজনিত জটিলতায় আটকে আছে। বাকি ৭৯টি প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষকরা ‘ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অভিভাবক আব্দুর রহিম বলেন, “প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়গুলোতে সঠিকভাবে ক্লাস পরিচালনা হয় না। সহকারী শিক্ষককে দাপ্তরিক কাজ করতে হয়, ফলে পাঠদানে ঘাটতি থেকে যায়।”
অভিভাবক বাবু ও রাজু মিয়াসহ অনেকে একই অভিযোগ করেছেন।

অন্যদিকে সহকারী শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, “ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। অন্যদিকে সমমর্যাদার হওয়ায় অনেক সহকর্মী তাদের নির্দেশ মানতে চান না। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।”

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মাদারগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক ও চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শওকত আলী বলেন, “প্রধান শিক্ষক শূন্য থাকায় শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। দ্রুত পদোন্নতি, নতুন নিয়োগ ও পদায়নের মাধ্যমে সংকট সমাধান জরুরি।”

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নুরুল আমিন বলেন, “অবসর, বদলি, মৃত্যু ও মামলাজনিত কারণে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হয়েছে। তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে।”


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত