চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

মন্নুজান সুফিয়ান ও সাবেক খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালকের বিরুদ্ধে চার্জশীট

প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
মন্নুজান সুফিয়ান ও সাবেক খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালকের বিরুদ্ধে চার্জশীট
বিগত সরকারের সাবেক শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান ও শ্রম অধিদপ্তরের সাবেক বিভাগীয় পরিচালক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল হয়েছে। দুদকে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারও আয় বর্হিভুত সম্পদের মালিক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর পরিচালক মিজানুর রহমানকে ঢাকায় বদলী করা হয়। সংশ্লিষ্ট সুত্র বলছে, শ্রম প্রতিমন্ত্রীর সাথে পরিচালকের সখ্যতা গড়ে ওঠে। ১০ জনকে ডিঙিয়ে তাকে বিভাগীয় পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। দুদকের - উপ- পরিচালক ( জন সংযোগ) মোঃ আক্তারুল ইসলাম অপর এক গণমাধ্যমকে জানান, বিভাগীয় শ্রম পরিচালক থাকাকালে বিভিন্ন ব্যাক্তিকে পদোন্নতি দেন। প্রয়োজনীয় অনুসন্ধানের পর ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি দুদক একটি মামলা দায়ের করেন। প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও শ্রম পরিচালকের বিরুদ্ধে চার্জশীট গত ১৬ এপ্রিল দাখিল করা হয়। পরিচালক মিজানুর রহমানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। চার্জশীটে উল্লেখ করা হয় ২০১০-২০২৪ পর্যন্ত শ্রম পরিচালক কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি কেনেন। রাজধানীর উওরা ৭ নং সেক্টরের বাড়ি নির্মান, ইস্কাটন ও মোহাম্মদপুরে দুটি ফ্লাট, যশোর শিক্ষা বোর্ডের সামনে ৬ তলা ভবন, খালিশপুর " সি" ব্লকে ৮৫ লাখ টাকা ব্যায়ে একটি প্লট কিনে ৯ তলা বাড়ি নির্মান করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে আয় বর্হিভুত সম্পদের মালিকানা প্রমানিত হয়েছে। সুত্র উল্লেখ করে, পরিচালক মিজানুর রহমান উৎকোচের মাধ্যমে পদোন্নতি পান। সহকারী পরিচালক থেকে স্বল্প সময়ে উপ- পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। দুদকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সাবেক শ্রম প্রতিমন্ত্রী এসব বিষয় থেকে লাভবান হন। উল্লেখ্য বরখাস্তকৃত পরিচালক বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার অধিবাসী। তার পিতা স্থানীয় ভুমি উন্নয়ন অফিসের কর্মচারি ছিলেন। বিগত সরকারের আমলে প্রতিমন্ত্রীর ভয়ে এসব বিষয়ে কেউ মুখ খোলেননি। তিনি একাই চারটি পদের দায়িত্ব পালন করেন। এ ব্যাপারে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগীতা ছিল।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


মন্নুজান সুফিয়ান ও সাবেক খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালকের বিরুদ্ধে চার্জশীট

প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
বিগত সরকারের সাবেক শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান ও শ্রম অধিদপ্তরের সাবেক বিভাগীয় পরিচালক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল হয়েছে। দুদকে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারও আয় বর্হিভুত সম্পদের মালিক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর পরিচালক মিজানুর রহমানকে ঢাকায় বদলী করা হয়। সংশ্লিষ্ট সুত্র বলছে, শ্রম প্রতিমন্ত্রীর সাথে পরিচালকের সখ্যতা গড়ে ওঠে। ১০ জনকে ডিঙিয়ে তাকে বিভাগীয় পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। দুদকের - উপ- পরিচালক ( জন সংযোগ) মোঃ আক্তারুল ইসলাম অপর এক গণমাধ্যমকে জানান, বিভাগীয় শ্রম পরিচালক থাকাকালে বিভিন্ন ব্যাক্তিকে পদোন্নতি দেন। প্রয়োজনীয় অনুসন্ধানের পর ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি দুদক একটি মামলা দায়ের করেন। প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও শ্রম পরিচালকের বিরুদ্ধে চার্জশীট গত ১৬ এপ্রিল দাখিল করা হয়। পরিচালক মিজানুর রহমানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। চার্জশীটে উল্লেখ করা হয় ২০১০-২০২৪ পর্যন্ত শ্রম পরিচালক কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি কেনেন। রাজধানীর উওরা ৭ নং সেক্টরের বাড়ি নির্মান, ইস্কাটন ও মোহাম্মদপুরে দুটি ফ্লাট, যশোর শিক্ষা বোর্ডের সামনে ৬ তলা ভবন, খালিশপুর " সি" ব্লকে ৮৫ লাখ টাকা ব্যায়ে একটি প্লট কিনে ৯ তলা বাড়ি নির্মান করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে আয় বর্হিভুত সম্পদের মালিকানা প্রমানিত হয়েছে। সুত্র উল্লেখ করে, পরিচালক মিজানুর রহমান উৎকোচের মাধ্যমে পদোন্নতি পান। সহকারী পরিচালক থেকে স্বল্প সময়ে উপ- পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। দুদকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সাবেক শ্রম প্রতিমন্ত্রী এসব বিষয় থেকে লাভবান হন। উল্লেখ্য বরখাস্তকৃত পরিচালক বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার অধিবাসী। তার পিতা স্থানীয় ভুমি উন্নয়ন অফিসের কর্মচারি ছিলেন। বিগত সরকারের আমলে প্রতিমন্ত্রীর ভয়ে এসব বিষয়ে কেউ মুখ খোলেননি। তিনি একাই চারটি পদের দায়িত্ব পালন করেন। এ ব্যাপারে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগীতা ছিল।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত