চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

পবিত্র মাহে রমজানে দ্রব্যে মুল্যের উর্ধবগতির প্রতিবাদে খুলনায় নাগরিক সমাজের মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
পবিত্র মাহে রমজানে দ্রব্যে মুল্যের উর্ধবগতির প্রতিবাদে খুলনায় নাগরিক সমাজের মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত
মাহে রমজানে দ্রব্যে মুল্যের উর্ধবগতির প্রতিবাদে খুলনা নাগরিক সমাজের উদ্যোগে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২০ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে এ মানববন্ধন ও সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা নাগরিক সমাজের সভাপতি মো: মহসীন হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ বাবুল হাওলাদারের সঞ্চালনায় মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে অবৈধ সিন্ডিকেট - মজুদ- কৃত্রিম সংকট গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে সব ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান । তারা বলেন, রমজান মাস আসলে একটি অসাধু ব্যবসায়ী চক্র অবৈধভাবে পন্যে মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পন্যের মুল্যে বৃদ্ধিতে সক্রিয় রয়েছে। রমজান মাস, সিয়াম সাধনার মাস, এ মাসে অবৈধভাবে কেউ মজুদ করে, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পন্যের মুল্যে বৃদ্ধি করবেন না । বক্তারা আরও বলেন, বাজারে পন্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও প্রতি বছর এসময় বাজার কারসাজি, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়, যার বলি দিতে হয় নিন্ম - ও মধ্যবিত্ত পরিবারের। সমাবেশে বক্তারা, কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অনতিবিলম্বে অবৈধ - সিন্ডিকেট- মজুদ সংকট গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। এসময় বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সরদার আবু তাহের, খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির মিজানুর রহমান বাবু, সাংবাদিক এইচ এম আলাউদ্দিন সহ বিভিন্ন নাগরিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীগন উপস্থিত ছিলেন। এদিকে সরকারের যাত্রা শুরুতেই রমজানের বাজার সেই ধারাবাহিকতার আলোকে মুল্য একধাপ বেড়েছে। বেগুন, কাঁচা মরিচ কেজি প্রতি গড়ে ২০ টাকা বেড়েছে। ক্ষিরইয়ের দাম দুদিনের ব্যবধানে ৮০ টাকার স্থলে আজ ১৩০ টাকায় উঠেছে। খাসির মাংস কেজি প্রতি ১২০০ টাকা। এ চিত্র যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও খুলনার ১০টি বাজারের। অর্থনীতির তত্ত্ব পাল্টে গেছে। সরবরাহ বেশি দামও বেশি। নিয়মিত বাজার মনিটরিং চললেও নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না অসাধু ব্যবসায়ীদের। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সভা কক্ষে বুধবার দ্রব্য মুল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্য মতনবিনিময় সভায় এ তথ্য প্রকাশ পায়। এ সভায় চার জেলার বাজার দরের ওপর তথ্য তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট সুত্র বলছে, বাজার নিয়ন্ত্রনে কেসিসির পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার মনিটরিং করছে। কর্পোরেশনের সভায় প্রশাসক মো : মোক্তার আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। সভায় উল্লেখিত তিন জেলার পাশাপাশি নগরীর, খালিশপুর, ফুলবাড়িগেট, দৌলতপুর, নতুন বাজার, কেডিএ নিউ মার্কেট, শেখপাড়া ময়লা পোতাস্থ সান্ধ্য বাজারে রমজানের বাজারের চিত্র তুলে ধরা হয়। বলা হয়, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি টাকা , যশোরে কেজি প্রতি ১ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৃষি বিপপন অধিদপ্তরের ১৭ ফেব্রুয়ারি রিপোর্ট অনুযায়ী নগরীর ও পাশ্ববর্তী এলাকায় গরুর মাংস ৭৪০ টাকার পরিবর্তে ৭৫০ টাকা, ব্রয়লার ১৭০ টাকার পরিবর্তে ১৯৫ টাকা, লেয়ার ২৯০ টাকার পরিবর্তে ৩১০ টাকা ও দেশি মুরগি ৪৮০ টাকার পরিবর্তে ৫০৯ টাকা দরে বিক্রি হয়, আবার জায়গা ভেদে কোথাও, কোথাও এর থেকেও বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। কেসিসির বাজার মনিটরিং সেলের তথ্য অনুযায়ী কাঁচা মরিচ ১০০ টাকার পরিবর্তে ১২০ টাকা, বেগুন ৩০ টাকার পরিবর্তে ৪০ টাকা, ক্ষিরই ৮০ টাকার পরিবর্তে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু স্বরজমিনে এ চিত্র ভিন্ন দেখা যায়, বড় বাজার মোড় ও খালিশপুরে বেগুন কেজি প্রতি ৬০-৭০ টাকা, ক্ষিরই ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কেসিসির পাইকারি কাঁচা বাজার আড়তদার মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলামের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০ টি পন্যর দাম বেড়েছে। বাজারে কাঁচা মালের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কৃষি বিপপন অধিদপ্তরের সিনিয়র কৃষি বিপনন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৭ টি পন্যর দাম বেড়েছে, ২ টি পন্যর দাম হ্নাস পেয়েছে ও অন্য ১৮ টির মুল্যে স্থিতিশীল রয়েছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি রিপোর্টে তিনি উল্লেখ করেন, নতুন গোল আলু প্রতি কেজি ২০-২২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। জানুয়ারি মাসে সয়াবিনের মুল্য কেজি প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয়রা জানান, নগরীর বিভিন্ন সড়কে নতুন আলু ৭ কেজি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ রমজানের বাজার দর সম্পর্কে বলেছেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাজার প্রতিদিন মনিটরিং করবে। ভেজাল, মজুদদারি ও মুল্যে বৃদ্ধি করলে শাস্তির আওতায় আনা হবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিজওয়ানুর রশিদ বৃহস্পতিবার নিরালা ও বড় বাজার এলাকায় মনিটরিং করেন। এছাড়াও প্রত্যেক উপজেলায় মনিটরিং শুরু হয়েছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


পবিত্র মাহে রমজানে দ্রব্যে মুল্যের উর্ধবগতির প্রতিবাদে খুলনায় নাগরিক সমাজের মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
মাহে রমজানে দ্রব্যে মুল্যের উর্ধবগতির প্রতিবাদে খুলনা নাগরিক সমাজের উদ্যোগে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২০ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে এ মানববন্ধন ও সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা নাগরিক সমাজের সভাপতি মো: মহসীন হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ বাবুল হাওলাদারের সঞ্চালনায় মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে অবৈধ সিন্ডিকেট - মজুদ- কৃত্রিম সংকট গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে সব ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান । তারা বলেন, রমজান মাস আসলে একটি অসাধু ব্যবসায়ী চক্র অবৈধভাবে পন্যে মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পন্যের মুল্যে বৃদ্ধিতে সক্রিয় রয়েছে। রমজান মাস, সিয়াম সাধনার মাস, এ মাসে অবৈধভাবে কেউ মজুদ করে, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পন্যের মুল্যে বৃদ্ধি করবেন না । বক্তারা আরও বলেন, বাজারে পন্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও প্রতি বছর এসময় বাজার কারসাজি, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়, যার বলি দিতে হয় নিন্ম - ও মধ্যবিত্ত পরিবারের। সমাবেশে বক্তারা, কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অনতিবিলম্বে অবৈধ - সিন্ডিকেট- মজুদ সংকট গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। এসময় বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সরদার আবু তাহের, খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির মিজানুর রহমান বাবু, সাংবাদিক এইচ এম আলাউদ্দিন সহ বিভিন্ন নাগরিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীগন উপস্থিত ছিলেন। এদিকে সরকারের যাত্রা শুরুতেই রমজানের বাজার সেই ধারাবাহিকতার আলোকে মুল্য একধাপ বেড়েছে। বেগুন, কাঁচা মরিচ কেজি প্রতি গড়ে ২০ টাকা বেড়েছে। ক্ষিরইয়ের দাম দুদিনের ব্যবধানে ৮০ টাকার স্থলে আজ ১৩০ টাকায় উঠেছে। খাসির মাংস কেজি প্রতি ১২০০ টাকা। এ চিত্র যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও খুলনার ১০টি বাজারের। অর্থনীতির তত্ত্ব পাল্টে গেছে। সরবরাহ বেশি দামও বেশি। নিয়মিত বাজার মনিটরিং চললেও নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না অসাধু ব্যবসায়ীদের। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সভা কক্ষে বুধবার দ্রব্য মুল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্য মতনবিনিময় সভায় এ তথ্য প্রকাশ পায়। এ সভায় চার জেলার বাজার দরের ওপর তথ্য তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট সুত্র বলছে, বাজার নিয়ন্ত্রনে কেসিসির পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার মনিটরিং করছে। কর্পোরেশনের সভায় প্রশাসক মো : মোক্তার আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। সভায় উল্লেখিত তিন জেলার পাশাপাশি নগরীর, খালিশপুর, ফুলবাড়িগেট, দৌলতপুর, নতুন বাজার, কেডিএ নিউ মার্কেট, শেখপাড়া ময়লা পোতাস্থ সান্ধ্য বাজারে রমজানের বাজারের চিত্র তুলে ধরা হয়। বলা হয়, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি টাকা , যশোরে কেজি প্রতি ১ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৃষি বিপপন অধিদপ্তরের ১৭ ফেব্রুয়ারি রিপোর্ট অনুযায়ী নগরীর ও পাশ্ববর্তী এলাকায় গরুর মাংস ৭৪০ টাকার পরিবর্তে ৭৫০ টাকা, ব্রয়লার ১৭০ টাকার পরিবর্তে ১৯৫ টাকা, লেয়ার ২৯০ টাকার পরিবর্তে ৩১০ টাকা ও দেশি মুরগি ৪৮০ টাকার পরিবর্তে ৫০৯ টাকা দরে বিক্রি হয়, আবার জায়গা ভেদে কোথাও, কোথাও এর থেকেও বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। কেসিসির বাজার মনিটরিং সেলের তথ্য অনুযায়ী কাঁচা মরিচ ১০০ টাকার পরিবর্তে ১২০ টাকা, বেগুন ৩০ টাকার পরিবর্তে ৪০ টাকা, ক্ষিরই ৮০ টাকার পরিবর্তে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু স্বরজমিনে এ চিত্র ভিন্ন দেখা যায়, বড় বাজার মোড় ও খালিশপুরে বেগুন কেজি প্রতি ৬০-৭০ টাকা, ক্ষিরই ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কেসিসির পাইকারি কাঁচা বাজার আড়তদার মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলামের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০ টি পন্যর দাম বেড়েছে। বাজারে কাঁচা মালের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কৃষি বিপপন অধিদপ্তরের সিনিয়র কৃষি বিপনন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৭ টি পন্যর দাম বেড়েছে, ২ টি পন্যর দাম হ্নাস পেয়েছে ও অন্য ১৮ টির মুল্যে স্থিতিশীল রয়েছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি রিপোর্টে তিনি উল্লেখ করেন, নতুন গোল আলু প্রতি কেজি ২০-২২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। জানুয়ারি মাসে সয়াবিনের মুল্য কেজি প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয়রা জানান, নগরীর বিভিন্ন সড়কে নতুন আলু ৭ কেজি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ রমজানের বাজার দর সম্পর্কে বলেছেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাজার প্রতিদিন মনিটরিং করবে। ভেজাল, মজুদদারি ও মুল্যে বৃদ্ধি করলে শাস্তির আওতায় আনা হবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিজওয়ানুর রশিদ বৃহস্পতিবার নিরালা ও বড় বাজার এলাকায় মনিটরিং করেন। এছাড়াও প্রত্যেক উপজেলায় মনিটরিং শুরু হয়েছে।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত