চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গায় অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটককে কেন্দ্র করে এক পুলিশ সদস্যের ওপর প্রকাশ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বিমানবন্দর সড়কের কাটগড় এলাকায় এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ট্রাফিক বিভাগের রেকার অপারেটর নজরুল ইসলাম।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে ট্রাফিক পুলিশের একটি দল অবৈধভাবে চলাচলরত ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশা আটক করে। পরে রেকার অপারেটর নজরুল ইসলাম গাড়িটি নিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ৫০-৬০ জন স্থানীয় লোকজন একত্রিত হয়ে মব তৈরি করে নজরুলকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়।
প্রথমে তাকে ঘিরে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয়, পরে জব্দ অটোরিকশাটি ভাঙচুর করা হয়। একপর্যায়ে নজরুলকে গাড়ি থেকে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করে এবং জব্দ যানটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পুলিশ সদস্যকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পতেঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “অবৈধ অটোরিকশা আটককে কেন্দ্র করে চালকরা একজন ট্রাফিক কনস্টেবলের ওপর হামলা চালিয়েছে। তিনি আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ছিনতাই হওয়া অটোরিকশা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।”
পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, পতেঙ্গা ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। এসব যানবাহন বন্ধে অভিযান চালালে চালকচক্র প্রায়ই উত্তেজনা সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি এই অবৈধ পরিবহন চক্রকে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে, যার ফলে প্রশাসনের অভিযান কার্যকর হচ্ছে না।
সচেতন নাগরিকদের মতে, পুলিশের ওপর প্রকাশ্যে এ ধরনের হামলা কেবল একজন সদস্যকে আহত করার ঘটনা নয়; এটি রাষ্ট্রের আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত। অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানান, এসব অটোরিকশা শুধু সড়কে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করছে না, বরং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এই চক্রের দৌরাত্ম্য আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৫
চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গায় অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটককে কেন্দ্র করে এক পুলিশ সদস্যের ওপর প্রকাশ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বিমানবন্দর সড়কের কাটগড় এলাকায় এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ট্রাফিক বিভাগের রেকার অপারেটর নজরুল ইসলাম।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে ট্রাফিক পুলিশের একটি দল অবৈধভাবে চলাচলরত ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশা আটক করে। পরে রেকার অপারেটর নজরুল ইসলাম গাড়িটি নিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ৫০-৬০ জন স্থানীয় লোকজন একত্রিত হয়ে মব তৈরি করে নজরুলকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়।
প্রথমে তাকে ঘিরে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয়, পরে জব্দ অটোরিকশাটি ভাঙচুর করা হয়। একপর্যায়ে নজরুলকে গাড়ি থেকে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করে এবং জব্দ যানটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পুলিশ সদস্যকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পতেঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “অবৈধ অটোরিকশা আটককে কেন্দ্র করে চালকরা একজন ট্রাফিক কনস্টেবলের ওপর হামলা চালিয়েছে। তিনি আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ছিনতাই হওয়া অটোরিকশা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।”
পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, পতেঙ্গা ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। এসব যানবাহন বন্ধে অভিযান চালালে চালকচক্র প্রায়ই উত্তেজনা সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি এই অবৈধ পরিবহন চক্রকে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে, যার ফলে প্রশাসনের অভিযান কার্যকর হচ্ছে না।
সচেতন নাগরিকদের মতে, পুলিশের ওপর প্রকাশ্যে এ ধরনের হামলা কেবল একজন সদস্যকে আহত করার ঘটনা নয়; এটি রাষ্ট্রের আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত। অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানান, এসব অটোরিকশা শুধু সড়কে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করছে না, বরং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এই চক্রের দৌরাত্ম্য আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
