চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) বিশেষ অভিযানে ৩৪ মামলার শীর্ষ সন্ত্রাসী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ওরফে ‘বার্মা সাইফুল’ গ্রেপ্তার হয়েছেন। একই সঙ্গে তার সহযোগী শিহাব উদ্দিনকে আটক করে বন্দর থানার পাঠাও চালক হত্যা ও স্বর্ণের বার দস্যুতার রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে।
সিএমপি অতিরিক্ত কমিশনার মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ জানান, বিশেষ চৌকস টিম গঠনের পর আতুরারডিপো এলাকায় স্বর্ণের বার দস্যুতার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যায়। এরপর ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ঢাকার গুলশান থানায় অভিযান চালিয়ে বার্মা সাইফুল ও শিহাব উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর লুণ্ঠিত স্বর্ণের বার উদ্ধারে একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তারির পর শিহাব উদ্দিনের হেফাজত থেকে একটি ইয়ামাহা আর-১৫ মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ পর্যন্ত স্বর্ণের বার লুণ্ঠণের ঘটনায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ২৯টি স্বর্ণের বার (২৯০ ভরি) উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বার্মা সাইফুলের বিরুদ্ধে অস্ত্র, প্রতারণা, চাঁদাবাজি, দস্যুতা, অপহরণ, বিস্ফোরক আইনের মামলাসহ মোট ৩৪টি মামলা রয়েছে। তার সহযোগী শিহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে মোট ৬টি মামলা আছে। পাশাপাশি বার্মা সাইফুলের আরও দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন ও মোহাম্মদ মীর হোসেন ওরফে লিংকনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সিএমপির ধারাবাহিক অভিযানে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৪ জন শীর্ষ সন্ত্রাসী, ২০১ জন ছিনতাইকারী, ৩৩ জন চাঁদাবাজ, ২১০ জন কিশোর গ্যাং সদস্য এবং ৩৫৭ জন ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানের আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। অভিযান চলবে আরও জোরদারভাবে, জানায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) বিশেষ অভিযানে ৩৪ মামলার শীর্ষ সন্ত্রাসী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ওরফে ‘বার্মা সাইফুল’ গ্রেপ্তার হয়েছেন। একই সঙ্গে তার সহযোগী শিহাব উদ্দিনকে আটক করে বন্দর থানার পাঠাও চালক হত্যা ও স্বর্ণের বার দস্যুতার রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে।
সিএমপি অতিরিক্ত কমিশনার মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ জানান, বিশেষ চৌকস টিম গঠনের পর আতুরারডিপো এলাকায় স্বর্ণের বার দস্যুতার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যায়। এরপর ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ঢাকার গুলশান থানায় অভিযান চালিয়ে বার্মা সাইফুল ও শিহাব উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর লুণ্ঠিত স্বর্ণের বার উদ্ধারে একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তারির পর শিহাব উদ্দিনের হেফাজত থেকে একটি ইয়ামাহা আর-১৫ মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ পর্যন্ত স্বর্ণের বার লুণ্ঠণের ঘটনায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ২৯টি স্বর্ণের বার (২৯০ ভরি) উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বার্মা সাইফুলের বিরুদ্ধে অস্ত্র, প্রতারণা, চাঁদাবাজি, দস্যুতা, অপহরণ, বিস্ফোরক আইনের মামলাসহ মোট ৩৪টি মামলা রয়েছে। তার সহযোগী শিহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে মোট ৬টি মামলা আছে। পাশাপাশি বার্মা সাইফুলের আরও দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন ও মোহাম্মদ মীর হোসেন ওরফে লিংকনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সিএমপির ধারাবাহিক অভিযানে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৪ জন শীর্ষ সন্ত্রাসী, ২০১ জন ছিনতাইকারী, ৩৩ জন চাঁদাবাজ, ২১০ জন কিশোর গ্যাং সদস্য এবং ৩৫৭ জন ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানের আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। অভিযান চলবে আরও জোরদারভাবে, জানায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ।
