চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা
পাবনার ঈশ্বরদীতে ইমরান হোসেন সোহাগ (২৮) নামে এক ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে ঈশ্বরদী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাঁড়া গোপালপুর স্কুল পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার। নিহত ছাত্রদল নেতা সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের উত্তর বাঘইল মহান্নবী পাড়া এলাকার ইমানুল হকের ছেলে। তিনি স্থানীয় ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং জিয়া সাইবার ফোর্সের ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সদস্যাসচিব। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোহাগ সাড়া গোপালপুর স্কুলের বিপরীত পার্শ্বে স্থানীয় একটি ক্লাবে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেল যোগে হেলমেট পরিহিত মুখোশধারী কয়েকজন লোক এসে তাকে ধাওয়া দেয়। এতে সোহাগের সাথে অন্য রা ভয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে সোহাগ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পাশ্ববর্তী ধান ক্ষেতের আইলে গিয়ে পড়ে যায়। এরপর সেখানেই তাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যাম করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ বিষয়ে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহের মাথার অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। সুরতহাল শেষে মরদেহ পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্যম মরদেহটি পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ওই ব্যেক্তিকে কে বা কারা কী কারণে হত্যার করেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ঘটনার পরই এ ব্যা পারে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। অপরাধীদের সনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হবে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
পাবনার ঈশ্বরদীতে ইমরান হোসেন সোহাগ (২৮) নামে এক ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে ঈশ্বরদী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাঁড়া গোপালপুর স্কুল পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার। নিহত ছাত্রদল নেতা সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের উত্তর বাঘইল মহান্নবী পাড়া এলাকার ইমানুল হকের ছেলে। তিনি স্থানীয় ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং জিয়া সাইবার ফোর্সের ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সদস্যাসচিব। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোহাগ সাড়া গোপালপুর স্কুলের বিপরীত পার্শ্বে স্থানীয় একটি ক্লাবে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেল যোগে হেলমেট পরিহিত মুখোশধারী কয়েকজন লোক এসে তাকে ধাওয়া দেয়। এতে সোহাগের সাথে অন্য রা ভয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে সোহাগ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পাশ্ববর্তী ধান ক্ষেতের আইলে গিয়ে পড়ে যায়। এরপর সেখানেই তাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যাম করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ বিষয়ে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহের মাথার অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। সুরতহাল শেষে মরদেহ পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্যম মরদেহটি পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ওই ব্যেক্তিকে কে বা কারা কী কারণে হত্যার করেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ঘটনার পরই এ ব্যা পারে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। অপরাধীদের সনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হবে।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত