চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

আগৈলঝাড়ায় মামা-ভাগ্নের ‘থান্ডারবোল্ট’ মিসাইল তৈরির দাবি

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আগৈলঝাড়ায় মামা-ভাগ্নের ‘থান্ডারবোল্ট’ মিসাইল তৈরির দাবি

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় নিজ উদ্যোগে ‘থান্ডারবোল্ট’ নামের একটি মিসাইল ও রকেট তৈরির দাবি করেছেন দুই তরুণ। সম্পর্কে তারা মামা-ভাগ্নে।

তারা হলেন গৈলা ইউনিয়নের উত্তর শিহিপাশা গ্রামের প্রিতম পাল ও সুজন চন্দ্র পাল। দুজনই রোবটিক্স নিয়ে কাজ করেন এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনে আগ্রহী।

প্রিতম পাল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। তার মামা সুজন চন্দ্র পাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এর পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য বৈশ্বিক সংকট ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস আগে তারা মিসাইল ও রকেট তৈরির কাজ শুরু করেন। ২০২৫ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে নিজেদের সঞ্চয়, টিফিনের টাকা এবং পারিবারিক সহায়তায় প্রায় সাত লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।

সম্প্রতি তারা প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন করেছেন বলে জানান।

তাদের দাবি, উদ্ভাবিত এই রকেট ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার গতিতে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে সক্ষম। তবে সরকারের অনুমতি না থাকায় এটি এখনো পরীক্ষামূলকভাবে উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও নিরাপত্তা ও আইনগত দিক বিবেচনায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


আগৈলঝাড়ায় মামা-ভাগ্নের ‘থান্ডারবোল্ট’ মিসাইল তৈরির দাবি

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় নিজ উদ্যোগে ‘থান্ডারবোল্ট’ নামের একটি মিসাইল ও রকেট তৈরির দাবি করেছেন দুই তরুণ। সম্পর্কে তারা মামা-ভাগ্নে।

তারা হলেন গৈলা ইউনিয়নের উত্তর শিহিপাশা গ্রামের প্রিতম পাল ও সুজন চন্দ্র পাল। দুজনই রোবটিক্স নিয়ে কাজ করেন এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনে আগ্রহী।

প্রিতম পাল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। তার মামা সুজন চন্দ্র পাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এর পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য বৈশ্বিক সংকট ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস আগে তারা মিসাইল ও রকেট তৈরির কাজ শুরু করেন। ২০২৫ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে নিজেদের সঞ্চয়, টিফিনের টাকা এবং পারিবারিক সহায়তায় প্রায় সাত লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।

সম্প্রতি তারা প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন করেছেন বলে জানান।

তাদের দাবি, উদ্ভাবিত এই রকেট ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার গতিতে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে সক্ষম। তবে সরকারের অনুমতি না থাকায় এটি এখনো পরীক্ষামূলকভাবে উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও নিরাপত্তা ও আইনগত দিক বিবেচনায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত