গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন নিয়ে সরকারের উদ্যোগের বিরোধিতা করে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, তাদের মতামত উপেক্ষা করে এমন একটি আইন পাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা গুম ও মানবাধিকার ইস্যুতে কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করবে না।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে কর্মসূচির ঘোষণা দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে পাসের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব আইন প্রণয়নে বিরোধী দলের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সরকারের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার প্রতিবাদ জানাতেই সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান হামিদুর রহমান আযাদ।
বৈঠকে গুম ও মানবাধিকার ইস্যুতে সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার ২০০৯ সালের তুলনায় আরও দুর্বল আইন প্রণয়নের পথে এগোচ্ছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশে গুমের ঘটনা কমলেও গুমের সংস্কৃতি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার পরিবর্তে এমন আইন করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে গুমের ঘটনায় কার্যকর প্রতিকার ও দায় নির্ধারণে বাধা তৈরি করতে পারে।
এ সময় দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা কয়েকজন মন্ত্রী ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিষয়টি স্পষ্ট করার দাবিও জানান তিনি।
গণমাধ্যম নিয়ে কয়েকজন মন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে কথা বলা গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগজনক।
১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠকে গুম, মানবাধিকার কমিশন, গুরুত্বপূর্ণ আইন, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা এবং ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে সরকারকে বিরোধী দলের মতামত বিবেচনায় নিয়ে আইন প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন নিয়ে সরকারের উদ্যোগের বিরোধিতা করে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, তাদের মতামত উপেক্ষা করে এমন একটি আইন পাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা গুম ও মানবাধিকার ইস্যুতে কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করবে না।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে কর্মসূচির ঘোষণা দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে পাসের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব আইন প্রণয়নে বিরোধী দলের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সরকারের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার প্রতিবাদ জানাতেই সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান হামিদুর রহমান আযাদ।
বৈঠকে গুম ও মানবাধিকার ইস্যুতে সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার ২০০৯ সালের তুলনায় আরও দুর্বল আইন প্রণয়নের পথে এগোচ্ছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশে গুমের ঘটনা কমলেও গুমের সংস্কৃতি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার পরিবর্তে এমন আইন করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে গুমের ঘটনায় কার্যকর প্রতিকার ও দায় নির্ধারণে বাধা তৈরি করতে পারে।
এ সময় দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা কয়েকজন মন্ত্রী ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিষয়টি স্পষ্ট করার দাবিও জানান তিনি।
গণমাধ্যম নিয়ে কয়েকজন মন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে কথা বলা গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগজনক।
১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠকে গুম, মানবাধিকার কমিশন, গুরুত্বপূর্ণ আইন, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা এবং ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে সরকারকে বিরোধী দলের মতামত বিবেচনায় নিয়ে আইন প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়।
