বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

প্রবাসের খবর

পালানো ও ভাঙচুরের অভিযোগ

গ্রিসে বিচারের মুখে ২৩ বাংলাদেশি ও মিশরীয় আশ্রয়প্রার্থী

গ্রিসে বিচারের মুখে ২৩ বাংলাদেশি ও মিশরীয় আশ্রয়প্রার্থী
গ্রিসের উত্তরাঞ্চলে অভিবাসী আটককেন্দ্র। ছবি : ইনফোমাইগ্র্যান্টস

গ্রিসের উত্তরাঞ্চলের একটি অভিবাসী আটককেন্দ্রে পুলিশ ও আশ্রয়প্রার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় আটক ২৫ জনের মধ্যে ২৩ জনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আটক সবাই বাংলাদেশ ও মিশরের আশ্রয়প্রার্থী বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম।

গ্রিসের সংবাদমাধ্যম একাথিমেরিনি জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পালানোর চেষ্টা, পালানো, বিদ্রোহ এবং সরকারি সম্পদের ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শনিবার সংঘর্ষের সময় পাঁচজন আহত হন। আহতদের মধ্যে তিনজন চিকিৎসা শেষে আটককেন্দ্রে ফিরেছেন। তবে আরও দুজন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ক্লিদি আটককেন্দ্রে ধারণক্ষমতার তুলনায় বেশি আশ্রয়প্রার্থী রাখা হয়েছে এবং সেখানে থাকা-খাওয়ার পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এর আগেও কেন্দ্রটিতে একাধিকবার অস্থিরতার ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বেগের পর সোমবার কর্তৃপক্ষ আটককেন্দ্রটি বন্ধের জন্য একটি রেজ্যুলেশন অনুমোদন করেছে।

জানা গেছে, সংঘর্ষের সময় ওই আটককেন্দ্রে প্রায় ৪৫০ জন আশ্রয়প্রার্থী ছিলেন। তারা সবাই নিজেদের আশ্রয়ের আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় ছিলেন। সংঘর্ষের পর পালিয়ে যাওয়া কয়েকজনকে আবার আটক করা হয়েছে। অন্যদের খোঁজে অভিযান চলছে।

#অভিবাসী_সংকট #গ্রিস_সংবাদ #বাংলাদেশি_আশ্রয়প্রার্থী

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬


গ্রিসে বিচারের মুখে ২৩ বাংলাদেশি ও মিশরীয় আশ্রয়প্রার্থী

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গ্রিসের উত্তরাঞ্চলের একটি অভিবাসী আটককেন্দ্রে পুলিশ ও আশ্রয়প্রার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় আটক ২৫ জনের মধ্যে ২৩ জনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আটক সবাই বাংলাদেশ ও মিশরের আশ্রয়প্রার্থী বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম।

গ্রিসের সংবাদমাধ্যম একাথিমেরিনি জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পালানোর চেষ্টা, পালানো, বিদ্রোহ এবং সরকারি সম্পদের ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শনিবার সংঘর্ষের সময় পাঁচজন আহত হন। আহতদের মধ্যে তিনজন চিকিৎসা শেষে আটককেন্দ্রে ফিরেছেন। তবে আরও দুজন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ক্লিদি আটককেন্দ্রে ধারণক্ষমতার তুলনায় বেশি আশ্রয়প্রার্থী রাখা হয়েছে এবং সেখানে থাকা-খাওয়ার পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এর আগেও কেন্দ্রটিতে একাধিকবার অস্থিরতার ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বেগের পর সোমবার কর্তৃপক্ষ আটককেন্দ্রটি বন্ধের জন্য একটি রেজ্যুলেশন অনুমোদন করেছে।

জানা গেছে, সংঘর্ষের সময় ওই আটককেন্দ্রে প্রায় ৪৫০ জন আশ্রয়প্রার্থী ছিলেন। তারা সবাই নিজেদের আশ্রয়ের আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় ছিলেন। সংঘর্ষের পর পালিয়ে যাওয়া কয়েকজনকে আবার আটক করা হয়েছে। অন্যদের খোঁজে অভিযান চলছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত