বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি অডিও ফাঁস হওয়াকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ৩ জুলাই বিএফডিসিতে ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নির্বাহী কমিটি গঠনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ফাঁস হওয়া অডিওতে নির্মাতা অনন্য মামুন ও আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলমের মধ্যে কথোপকথন রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেখানে নির্বাচন বানচাল ও আইনি পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অডিওর একটি অংশে অনন্য মামুনকে হিরো আলমকে উদ্দেশ করে বলতে শোনা যায় তাকে ভয় না পেয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় চ্যালেঞ্জ করতে এবং সদস্যপদ না দিলে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কথোপকথনে আইনজীবীর সহায়তার কথাও উল্লেখ করা হয়।
অন্যদিকে কথিত অডিওতে হিরো আলমকে বলতে শোনা যায়, তিনি আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলবেন এবং প্রয়োজন হলে আদালতে গিয়ে নির্বাচন বন্ধের আবেদন করবেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্র অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন ঘিরে ইতোমধ্যেই দুইটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছে একটি ‘আরমান–মুক্তি প্যানেল এবং অন্যটি শিবা শানু ও জয় চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন প্যানেল।
নির্বাচনকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই নতুন বিতর্ক শিল্পী সমিতির ভোটের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি অডিও ফাঁস হওয়াকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ৩ জুলাই বিএফডিসিতে ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নির্বাহী কমিটি গঠনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ফাঁস হওয়া অডিওতে নির্মাতা অনন্য মামুন ও আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলমের মধ্যে কথোপকথন রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেখানে নির্বাচন বানচাল ও আইনি পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অডিওর একটি অংশে অনন্য মামুনকে হিরো আলমকে উদ্দেশ করে বলতে শোনা যায় তাকে ভয় না পেয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় চ্যালেঞ্জ করতে এবং সদস্যপদ না দিলে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কথোপকথনে আইনজীবীর সহায়তার কথাও উল্লেখ করা হয়।
অন্যদিকে কথিত অডিওতে হিরো আলমকে বলতে শোনা যায়, তিনি আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলবেন এবং প্রয়োজন হলে আদালতে গিয়ে নির্বাচন বন্ধের আবেদন করবেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্র অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন ঘিরে ইতোমধ্যেই দুইটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছে একটি ‘আরমান–মুক্তি প্যানেল এবং অন্যটি শিবা শানু ও জয় চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন প্যানেল।
নির্বাচনকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই নতুন বিতর্ক শিল্পী সমিতির ভোটের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
