সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

৫৩ বছরের পুরোনো বাসে ঝুঁকি

হবিগঞ্জে লক্কর-ঝক্কর বাস বন্ধের দাবি বিআরটিসি চালুর দাবিতে উত্তাল জনতা

হবিগঞ্জে লক্কর-ঝক্কর বাস বন্ধের দাবি বিআরটিসি চালুর দাবিতে উত্তাল জনতা
ছবি : সংগৃহীত

হবিগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে চলাচল করা পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ বাস সার্ভিস বন্ধ করে বিআরটিসি বাস চালুর দাবিতে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫৩ বছর ধরে চলা এসব লক্কর-ঝক্কর বাস এখন যাত্রীদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

জেলার মটরমালিক গ্রুপের পরিচালিত পুরোনো বাসগুলো নিয়ে জনমনে অসন্তোষ ক্রমেই বাড়ছে। যাত্রীদের অভিযোগ, এসব বাস প্রায় ভাঙাচোরা অবস্থায় রাস্তায় চলাচল করে, ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

স্থানীয় যাত্রী ও সচেতন নাগরিকরা দাবি করছেন, পুরোনো এসব বাস স্থায়ীভাবে বন্ধ করে আধুনিক ও নিরাপদ বিআরটিসি বাস চালু করা উচিত।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
এই দাবি শুধু আমার একার নয়, হবিগঞ্জের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষের দাবি। আমরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছি।

অনেক সময় বাসের ভেতরের পরিবেশও অস্বাস্থ্যকর এবং যাত্রীদের সঙ্গে স্টাফদের আচরণও যথাযথ নয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

আরেক যাত্রী জানান, পুরোনো বাসগুলোর যান্ত্রিক অবস্থা খুবই খারাপ, অনেক সময় মাঝপথে বিকল হয়ে পড়ে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে।

স্থানীয়দের মতে, এখনই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিআরটিসি বাস চালু হলে যাত্রীদের নিরাপত্তা বাড়বে এবং পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরবে।

পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরোনো বাসগুলো ধাপে ধাপে বাতিল করে আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা চালু করা হলে দুর্ঘটনা কমবে এবং যাত্রীসেবা উন্নত হবে।

সব মিলিয়ে হবিগঞ্জে পুরোনো বাস বন্ধ করে বিআরটিসি বাস চালুর দাবি এখন জোরালো জনআন্দোলনে রূপ নিচ্ছে।

#হবিগঞ্জ #বিআরটিসি_বাস #বিরতিহীন #মটরমালিক গ্রুপের

চেকপোস্ট

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬


হবিগঞ্জে লক্কর-ঝক্কর বাস বন্ধের দাবি বিআরটিসি চালুর দাবিতে উত্তাল জনতা

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে চলাচল করা পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ বাস সার্ভিস বন্ধ করে বিআরটিসি বাস চালুর দাবিতে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫৩ বছর ধরে চলা এসব লক্কর-ঝক্কর বাস এখন যাত্রীদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

জেলার মটরমালিক গ্রুপের পরিচালিত পুরোনো বাসগুলো নিয়ে জনমনে অসন্তোষ ক্রমেই বাড়ছে। যাত্রীদের অভিযোগ, এসব বাস প্রায় ভাঙাচোরা অবস্থায় রাস্তায় চলাচল করে, ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

স্থানীয় যাত্রী ও সচেতন নাগরিকরা দাবি করছেন, পুরোনো এসব বাস স্থায়ীভাবে বন্ধ করে আধুনিক ও নিরাপদ বিআরটিসি বাস চালু করা উচিত।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
এই দাবি শুধু আমার একার নয়, হবিগঞ্জের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষের দাবি। আমরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছি।

অনেক সময় বাসের ভেতরের পরিবেশও অস্বাস্থ্যকর এবং যাত্রীদের সঙ্গে স্টাফদের আচরণও যথাযথ নয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

আরেক যাত্রী জানান, পুরোনো বাসগুলোর যান্ত্রিক অবস্থা খুবই খারাপ, অনেক সময় মাঝপথে বিকল হয়ে পড়ে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে।

স্থানীয়দের মতে, এখনই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিআরটিসি বাস চালু হলে যাত্রীদের নিরাপত্তা বাড়বে এবং পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরবে।

পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরোনো বাসগুলো ধাপে ধাপে বাতিল করে আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা চালু করা হলে দুর্ঘটনা কমবে এবং যাত্রীসেবা উন্নত হবে।

সব মিলিয়ে হবিগঞ্জে পুরোনো বাস বন্ধ করে বিআরটিসি বাস চালুর দাবি এখন জোরালো জনআন্দোলনে রূপ নিচ্ছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত