সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য পেয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়নের পৃথক অভিযানে প্রায় ৯৫ লাখ ১১ হাজার ৭৮০ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ ওষুধ, জিরা এবং কাঠ জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের একটি আভিযানিক দল মাধবপুর উপজেলা-র তেলিয়াপাড়া চা-বাগান এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয়। সোমবার (৪ মে) ভোরে একটি সন্দেহভাজন ট্রাক থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশির সময় দেখা যায়, ট্রাকটিতে পাথরের নিচে বস্তার ভেতরে অত্যন্ত কৌশলে লুকানো ছিল বিপুল পরিমাণ ভারতীয় আমদানি নিষিদ্ধ অবৈধ ওষুধ ও জিরা। এসব পণ্যের কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো জব্দ করা হয়।
এছাড়া পৃথক আরেক অভিযানে একই উপজেলার হরিণখোলা এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় প্রায় ৩১ হাজার ৭৮০ টাকা মূল্যের ভারতীয় আকাশমনি কাঠ জব্দ করা হয়।
জব্দ করা পণ্যগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় কাস্টমস অফিসে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
একই সঙ্গে চোরাচালান সংশ্লিষ্ট চক্রকে শনাক্ত ও আটকের জন্য গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
বিজিবি কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশের অর্থনীতি সুরক্ষা ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য পেয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়নের পৃথক অভিযানে প্রায় ৯৫ লাখ ১১ হাজার ৭৮০ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ ওষুধ, জিরা এবং কাঠ জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের একটি আভিযানিক দল মাধবপুর উপজেলা-র তেলিয়াপাড়া চা-বাগান এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয়। সোমবার (৪ মে) ভোরে একটি সন্দেহভাজন ট্রাক থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশির সময় দেখা যায়, ট্রাকটিতে পাথরের নিচে বস্তার ভেতরে অত্যন্ত কৌশলে লুকানো ছিল বিপুল পরিমাণ ভারতীয় আমদানি নিষিদ্ধ অবৈধ ওষুধ ও জিরা। এসব পণ্যের কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো জব্দ করা হয়।
এছাড়া পৃথক আরেক অভিযানে একই উপজেলার হরিণখোলা এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় প্রায় ৩১ হাজার ৭৮০ টাকা মূল্যের ভারতীয় আকাশমনি কাঠ জব্দ করা হয়।
জব্দ করা পণ্যগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় কাস্টমস অফিসে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
একই সঙ্গে চোরাচালান সংশ্লিষ্ট চক্রকে শনাক্ত ও আটকের জন্য গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
বিজিবি কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশের অর্থনীতি সুরক্ষা ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
