হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মালামাল বিক্রি ও অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশের পর সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি উপজেলার আহম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো আসবাবপত্র, সরকারি বইসহ বিভিন্ন মালামাল বিক্রির অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে শিক্ষা অধিদপ্তর এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়।
অভিযোগের পর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হেলাল মিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার তদন্তে বিদ্যালয়ের লোহার বেঞ্চ, লোহার দরজা, কাঠের দরজা, টিন, সরকারি বই এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী বিক্রির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গত ৩ মার্চ সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক হেলাল মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন।
এর প্রায় চার মাস পর, ২১ জুন, প্রধান শিক্ষক হেলাল মিয়া শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উল্লেখ করে একটি লিখিত আবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রধান শিক্ষকের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হেলাল মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মালামাল বিক্রি ও অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশের পর সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি উপজেলার আহম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো আসবাবপত্র, সরকারি বইসহ বিভিন্ন মালামাল বিক্রির অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে শিক্ষা অধিদপ্তর এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়।
অভিযোগের পর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হেলাল মিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার তদন্তে বিদ্যালয়ের লোহার বেঞ্চ, লোহার দরজা, কাঠের দরজা, টিন, সরকারি বই এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী বিক্রির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গত ৩ মার্চ সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক হেলাল মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন।
এর প্রায় চার মাস পর, ২১ জুন, প্রধান শিক্ষক হেলাল মিয়া শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উল্লেখ করে একটি লিখিত আবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রধান শিক্ষকের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হেলাল মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
