নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের অসুরখাই কোরানীপাড়া এলাকায় বিয়ের দাবিতে সাবেক প্রেমিকের বাড়ির সামনে টানা দুই দিন ধরে অবস্থান করছেন এক তরুণী। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, ওই এলাকার ফল বিক্রেতা আজিজুল ইসলামের ছেলে রাহুল ওরফে লাল্টু (২০)-এর সঙ্গে প্রায় দেড় বছর প্রেমের সম্পর্ক ছিল একই এলাকার কৃষক ফজলুর রহমানের মেয়ে ইতিমনি ওরফে ফুলো (১৮)-র।
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় সাত মাস আগে পরিবারের সিদ্ধান্তে ফুলোর অন্যত্র বিয়ে হয়। বিয়ের পর কয়েক মাস স্বাভাবিক সংসার করলেও পরে সাবেক প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে পারিবারিক বিরোধের সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, লাল্টু মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে স্বামীর সংসার ছেড়ে চলে আসার জন্য চাপ দেন। একপর্যায়ে তাদের পূর্বের সম্পর্কের ছবি ও ভিডিও ফুলোর শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর স্বামী তাকে আর সংসারে রাখবেন না বলে জানালে তিনি বাবার বাড়িতে ফিরে যান। তবে সেখানেও আশ্রয় না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সাবেক প্রেমিকের বাড়িতে যান।
ফুলোর অভিযোগ, সেখানে গেলে লাল্টু ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে মারধর করে বের করে দেন। এরপর থেকে তিনি বাড়ির সামনের রাস্তায় অবস্থান করছেন। তার দাবি, "হয় লাল্টু আমাকে বিয়ে করবে, নয়তো আমি আত্মহত্যা করব।"
অন্যদিকে লাল্টুর বাবা আজিজুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদের ছেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়। তিনি দাবি করেন, লাল্টু কয়েক দিন আগে আত্মীয়ের বাড়িতে গেছেন এবং ফুলোর সঙ্গে কোনো মারধরের ঘটনা ঘটেনি।
লাল্টুর মা উল্লিকা বেগম বলেন, বিয়ের আগে তারা ফুলোর পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।
ফুলোর বাবা ফজলুর রহমান অভিযোগ করেন, তার মেয়ের বিয়ের পরও লাল্টু বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করে এবং পরবর্তীতে তার মেয়ের সংসার ভাঙার পেছনে ভূমিকা রাখেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে দুই দিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা চূড়ান্ত বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের অসুরখাই কোরানীপাড়া এলাকায় বিয়ের দাবিতে সাবেক প্রেমিকের বাড়ির সামনে টানা দুই দিন ধরে অবস্থান করছেন এক তরুণী। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, ওই এলাকার ফল বিক্রেতা আজিজুল ইসলামের ছেলে রাহুল ওরফে লাল্টু (২০)-এর সঙ্গে প্রায় দেড় বছর প্রেমের সম্পর্ক ছিল একই এলাকার কৃষক ফজলুর রহমানের মেয়ে ইতিমনি ওরফে ফুলো (১৮)-র।
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় সাত মাস আগে পরিবারের সিদ্ধান্তে ফুলোর অন্যত্র বিয়ে হয়। বিয়ের পর কয়েক মাস স্বাভাবিক সংসার করলেও পরে সাবেক প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে পারিবারিক বিরোধের সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, লাল্টু মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে স্বামীর সংসার ছেড়ে চলে আসার জন্য চাপ দেন। একপর্যায়ে তাদের পূর্বের সম্পর্কের ছবি ও ভিডিও ফুলোর শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর স্বামী তাকে আর সংসারে রাখবেন না বলে জানালে তিনি বাবার বাড়িতে ফিরে যান। তবে সেখানেও আশ্রয় না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সাবেক প্রেমিকের বাড়িতে যান।
ফুলোর অভিযোগ, সেখানে গেলে লাল্টু ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে মারধর করে বের করে দেন। এরপর থেকে তিনি বাড়ির সামনের রাস্তায় অবস্থান করছেন। তার দাবি, "হয় লাল্টু আমাকে বিয়ে করবে, নয়তো আমি আত্মহত্যা করব।"
অন্যদিকে লাল্টুর বাবা আজিজুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদের ছেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়। তিনি দাবি করেন, লাল্টু কয়েক দিন আগে আত্মীয়ের বাড়িতে গেছেন এবং ফুলোর সঙ্গে কোনো মারধরের ঘটনা ঘটেনি।
লাল্টুর মা উল্লিকা বেগম বলেন, বিয়ের আগে তারা ফুলোর পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।
ফুলোর বাবা ফজলুর রহমান অভিযোগ করেন, তার মেয়ের বিয়ের পরও লাল্টু বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করে এবং পরবর্তীতে তার মেয়ের সংসার ভাঙার পেছনে ভূমিকা রাখেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে দুই দিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা চূড়ান্ত বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
