যশোরের শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল এলাকায় পতিত জমিতে সূর্যমুখী চাষে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। স্বল্প খরচে ও কম সময়ে অধিক লাভজনক হওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা এই ফসলের দিকে ঝুঁকছেন।
একসময় যে জমিগুলো পতিত পড়ে থাকত, এখন সেখানে হলুদ সূর্যমুখীর হাসিতে স্বপ্ন বুনছেন কৃষকেরা। একই সঙ্গে ফুলের নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তেল বীজ উৎপাদন প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রণোদনা নিয়ে কৃষকরা সূর্যমুখী চাষ শুরু করেন। বিনামূল্যে বীজ ও সার পেয়ে পতিত ও এক ফসলি জমিতেও সফলভাবে আবাদ করা সম্ভব হয়েছে।
কৃষকরা জানান, ধান, পাট, গম ও সরিষার চেয়ে সূর্যমুখী চাষে লাভ বেশি। মাত্র ৯০ থেকে ১১০ দিনে ফসল ঘরে তোলা যায়। বিঘাপ্রতি ৭ থেকে ১০ মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়, যার বাজারমূল্য প্রতি মণ ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা।
শার্শার কৃষক আব্দুল মান্নান বলেন, দুই মাস আগে রোপণ করা ফসল আগামী এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘরে তোলা সম্ভব হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি।
কৃষক আলতাফ হোসেন ও মনির হোসেন জানান, গত বছর পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমুখী চাষ করে তারা ভালো ফল ও দাম পেয়েছেন। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় এবার চাষের পরিমাণ বাড়িয়েছেন।
দীপক কুমার সাহা বলেন, দেশে ভোজ্যতেলের আমদানি নির্ভরতা কমাতে সূর্যমুখী চাষকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৭০০ শতক জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। কৃষকদের প্রণোদনা হিসেবে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সূর্যমুখী তেল পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং বাজারে এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। কৃষকদের আগ্রহ বাড়লে আগামীতে এই চাষ আরও বিস্তৃত করা হবে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
যশোরের শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল এলাকায় পতিত জমিতে সূর্যমুখী চাষে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। স্বল্প খরচে ও কম সময়ে অধিক লাভজনক হওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা এই ফসলের দিকে ঝুঁকছেন।
একসময় যে জমিগুলো পতিত পড়ে থাকত, এখন সেখানে হলুদ সূর্যমুখীর হাসিতে স্বপ্ন বুনছেন কৃষকেরা। একই সঙ্গে ফুলের নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তেল বীজ উৎপাদন প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রণোদনা নিয়ে কৃষকরা সূর্যমুখী চাষ শুরু করেন। বিনামূল্যে বীজ ও সার পেয়ে পতিত ও এক ফসলি জমিতেও সফলভাবে আবাদ করা সম্ভব হয়েছে।
কৃষকরা জানান, ধান, পাট, গম ও সরিষার চেয়ে সূর্যমুখী চাষে লাভ বেশি। মাত্র ৯০ থেকে ১১০ দিনে ফসল ঘরে তোলা যায়। বিঘাপ্রতি ৭ থেকে ১০ মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়, যার বাজারমূল্য প্রতি মণ ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা।
শার্শার কৃষক আব্দুল মান্নান বলেন, দুই মাস আগে রোপণ করা ফসল আগামী এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘরে তোলা সম্ভব হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি।
কৃষক আলতাফ হোসেন ও মনির হোসেন জানান, গত বছর পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমুখী চাষ করে তারা ভালো ফল ও দাম পেয়েছেন। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় এবার চাষের পরিমাণ বাড়িয়েছেন।
দীপক কুমার সাহা বলেন, দেশে ভোজ্যতেলের আমদানি নির্ভরতা কমাতে সূর্যমুখী চাষকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৭০০ শতক জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। কৃষকদের প্রণোদনা হিসেবে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সূর্যমুখী তেল পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং বাজারে এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। কৃষকদের আগ্রহ বাড়লে আগামীতে এই চাষ আরও বিস্তৃত করা হবে।
