কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার দেওয়ানেরখামার মহিলা মাদ্রাসা সড়কে সামান্য বৃষ্টিতেই ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং সাধারণ পথচারীদের প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছে। দীর্ঘদিনের এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দ্রুত উঁচু ও টেকসই পাকা রাস্তা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই সড়কটি পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীদের নোংরা পানির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হয়। অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কের পাশেই একটি পুকুর থাকায় পানি জমে গেলে রাস্তা ও পুকুরের পার্থক্য বোঝা যায় না। এতে যে কোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে শিশু শিক্ষার্থী, বয়স্ক মানুষ এবং মোটরসাইকেল আরোহীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।
স্থানীয়রা আরও জানান, দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় এলাকায় মশা ও বিভিন্ন পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়েছে। এতে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন পানিবাহিত ও মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে বলে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, অতীতে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কয়েকজন জমির মালিক জমি দিতে রাজি না হওয়ায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে বছরের পর বছর ধরে একই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এ অবস্থায় এলাকাবাসীর দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, জনপ্রতিনিধি এবং জমির মালিকদের সমন্বয়ে দ্রুত উঁচু ও টেকসই পাকা রাস্তা নির্মাণ করা হোক। এতে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা দূর হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার দেওয়ানেরখামার মহিলা মাদ্রাসা সড়কে সামান্য বৃষ্টিতেই ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং সাধারণ পথচারীদের প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছে। দীর্ঘদিনের এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দ্রুত উঁচু ও টেকসই পাকা রাস্তা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই সড়কটি পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীদের নোংরা পানির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হয়। অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কের পাশেই একটি পুকুর থাকায় পানি জমে গেলে রাস্তা ও পুকুরের পার্থক্য বোঝা যায় না। এতে যে কোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে শিশু শিক্ষার্থী, বয়স্ক মানুষ এবং মোটরসাইকেল আরোহীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।
স্থানীয়রা আরও জানান, দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় এলাকায় মশা ও বিভিন্ন পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়েছে। এতে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন পানিবাহিত ও মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে বলে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, অতীতে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কয়েকজন জমির মালিক জমি দিতে রাজি না হওয়ায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে বছরের পর বছর ধরে একই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এ অবস্থায় এলাকাবাসীর দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, জনপ্রতিনিধি এবং জমির মালিকদের সমন্বয়ে দ্রুত উঁচু ও টেকসই পাকা রাস্তা নির্মাণ করা হোক। এতে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা দূর হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে।
