‘সবার আগে বাংলাদেশ, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ চাই’-এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মাদকবিরোধী মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদারের পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড মাদক নির্মূল কমিটির উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর। সভাপতিত্ব করেন গঙ্গাচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান দুলু।
ওসি আব্দুস ছবুর বলেন, মাদক ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেয়। শুধু পুলিশের একার পক্ষে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ী যত প্রভাবশালীই হোক, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে যারা মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান, তাদের সহযোগিতা করার কথাও জানান তিনি।
মাদক বিক্রি বা সেবনের তথ্য পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানিয়ে ওসি বলেন, তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই সবচেয়ে বড় শক্তি।
সভায় গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আপেল মাহমুদ বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, পুরো পরিবারকে ধ্বংস করে। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে দল-মত নির্বিশেষে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি যারা মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান, তাদের পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় ইউপি সদস্য বদিউজ্জামান বুলু, মাদক নির্মূল কমিটির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া, রিয়াজুল ইসলাম খতিব, চ্যাংমারী মান্দ্রাইনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।
আলোচনা সভায় মাদক ব্যবসায়ী সাসছ, রিয়াজ ও মুন্না এবং মাদকসেবী রোকন আত্মসমর্পণ করেন। তারা মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন।
এদিকে এলাকায় মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিকাশ ও নুরুজ্জামানকে আটক করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান স্থানীয়রা।
বক্তারা বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান দিয়ে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। পরিবার ও সমাজের ভেতর থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা, শিক্ষা ও ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
‘সবার আগে বাংলাদেশ, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ চাই’-এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মাদকবিরোধী মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদারের পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড মাদক নির্মূল কমিটির উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর। সভাপতিত্ব করেন গঙ্গাচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান দুলু।
ওসি আব্দুস ছবুর বলেন, মাদক ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেয়। শুধু পুলিশের একার পক্ষে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ী যত প্রভাবশালীই হোক, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে যারা মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান, তাদের সহযোগিতা করার কথাও জানান তিনি।
মাদক বিক্রি বা সেবনের তথ্য পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানিয়ে ওসি বলেন, তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই সবচেয়ে বড় শক্তি।
সভায় গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আপেল মাহমুদ বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, পুরো পরিবারকে ধ্বংস করে। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে দল-মত নির্বিশেষে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি যারা মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান, তাদের পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় ইউপি সদস্য বদিউজ্জামান বুলু, মাদক নির্মূল কমিটির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া, রিয়াজুল ইসলাম খতিব, চ্যাংমারী মান্দ্রাইনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।
আলোচনা সভায় মাদক ব্যবসায়ী সাসছ, রিয়াজ ও মুন্না এবং মাদকসেবী রোকন আত্মসমর্পণ করেন। তারা মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন।
এদিকে এলাকায় মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিকাশ ও নুরুজ্জামানকে আটক করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান স্থানীয়রা।
বক্তারা বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান দিয়ে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। পরিবার ও সমাজের ভেতর থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা, শিক্ষা ও ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।
