বাগেরহাটের রামপালে সংসারের খরচ মেটাতে মাথার চুল বিক্রি করা অসহায় নারী রেহানা খাতুনের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।
চরম দারিদ্র্যের কারণে ভাড়া পরিশোধ করতে মাথার চুল বিক্রি করার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রতিমন্ত্রীর নজরে আসে। পরে তিনি রেহানা খাতুনের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দেন।
প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় স্থানীয় প্রশাসন ও প্রতিনিধিদের মাধ্যমে রেহানা খাতুনের জন্য মাথা গোঁজার ঠাঁই, খাদ্য সহায়তা এবং নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। এতে দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করা রেহানা ও তার পরিবারের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।
জানা গেছে, চরম অভাব-অনটনের কারণে দুই সন্তানকে নিয়ে রামপালের সন্তোষপুর এলাকায় কষ্টে দিন কাটাচ্ছিলেন রেহানা। মাথা গোঁজার স্থায়ী জায়গা না থাকায় তিনি রেললাইনের পাশের খোলা জায়গায় আশ্রয় নিয়েছিলেন।
সহায়তা পেয়ে রেহানা খাতুন ও তার পরিবার প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ তামান্না ফেরদৌসি, প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা অপু রায়হানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয়রা বলেন, অসহায় মানুষের দুর্দিনে এ ধরনের সহায়তা মানবিকতার দৃষ্টান্ত। তারা আশা করেন, রেহানার মতো সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর পাশে ভবিষ্যতেও প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসবেন।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
বাগেরহাটের রামপালে সংসারের খরচ মেটাতে মাথার চুল বিক্রি করা অসহায় নারী রেহানা খাতুনের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।
চরম দারিদ্র্যের কারণে ভাড়া পরিশোধ করতে মাথার চুল বিক্রি করার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রতিমন্ত্রীর নজরে আসে। পরে তিনি রেহানা খাতুনের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দেন।
প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় স্থানীয় প্রশাসন ও প্রতিনিধিদের মাধ্যমে রেহানা খাতুনের জন্য মাথা গোঁজার ঠাঁই, খাদ্য সহায়তা এবং নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। এতে দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করা রেহানা ও তার পরিবারের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।
জানা গেছে, চরম অভাব-অনটনের কারণে দুই সন্তানকে নিয়ে রামপালের সন্তোষপুর এলাকায় কষ্টে দিন কাটাচ্ছিলেন রেহানা। মাথা গোঁজার স্থায়ী জায়গা না থাকায় তিনি রেললাইনের পাশের খোলা জায়গায় আশ্রয় নিয়েছিলেন।
সহায়তা পেয়ে রেহানা খাতুন ও তার পরিবার প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ তামান্না ফেরদৌসি, প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা অপু রায়হানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয়রা বলেন, অসহায় মানুষের দুর্দিনে এ ধরনের সহায়তা মানবিকতার দৃষ্টান্ত। তারা আশা করেন, রেহানার মতো সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর পাশে ভবিষ্যতেও প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসবেন।
