সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির বলেছেন, বিচার বিভাগীয় সচিবালয় বিলুপ্তির মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। তিনি একে বিচার বিভাগের ওপর “চপেটাঘাত” বলে মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
শিশির মনির বলেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিচার বিভাগের ওপর জনগণের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য একটি কালো দিন।
তিনি আরও বলেন, ১৯৯৯ সালের মাজদার হোসেন মামলার নির্দেশনা, ২০০৭ সালের বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ এবং পরবর্তীতে গৃহীত বিভিন্ন সংস্কারের মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে সেই অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
আইনজীবী শিশির মনির দাবি করেন, বিচারকদের বদলি, ছুটি ও পদোন্নতি আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যত সীমিত হয়ে পড়েছে। তিনি এসব ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের অধীনে রাখার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির বলেছেন, বিচার বিভাগীয় সচিবালয় বিলুপ্তির মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। তিনি একে বিচার বিভাগের ওপর “চপেটাঘাত” বলে মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
শিশির মনির বলেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিচার বিভাগের ওপর জনগণের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য একটি কালো দিন।
তিনি আরও বলেন, ১৯৯৯ সালের মাজদার হোসেন মামলার নির্দেশনা, ২০০৭ সালের বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ এবং পরবর্তীতে গৃহীত বিভিন্ন সংস্কারের মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে সেই অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
আইনজীবী শিশির মনির দাবি করেন, বিচারকদের বদলি, ছুটি ও পদোন্নতি আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যত সীমিত হয়ে পড়েছে। তিনি এসব ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের অধীনে রাখার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
