হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত কলম চাঁন হত্যা মামলার প্রধান ও এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি ফারুক মিয়া (৪৫)-কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯।
র্যাব-৯ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (৪ জুলাই) রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের রানিরকোট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ফারুক মিয়া শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ব্রাহ্মণডোরা এলাকার মৃত শহিদ মিয়ার ছেলে। তিনি শায়েস্তাগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়া কলম চাঁন হত্যা মামলার ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
র্যাব জানায়, গত ২৭ জুন ২০২৬ বিকেলে ব্রাহ্মণডোরা এলাকায় বসতবাড়ির জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী পরিবারের এক সদস্যকে মারধরের সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে কলম চাঁনকেও ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের ছেলে বাদী হয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান চালিয়ে আসছিল র্যাব-৯।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শায়েস্তাগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে অপরাধ দমনে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত কলম চাঁন হত্যা মামলার প্রধান ও এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি ফারুক মিয়া (৪৫)-কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯।
র্যাব-৯ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (৪ জুলাই) রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের রানিরকোট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ফারুক মিয়া শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ব্রাহ্মণডোরা এলাকার মৃত শহিদ মিয়ার ছেলে। তিনি শায়েস্তাগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়া কলম চাঁন হত্যা মামলার ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
র্যাব জানায়, গত ২৭ জুন ২০২৬ বিকেলে ব্রাহ্মণডোরা এলাকায় বসতবাড়ির জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী পরিবারের এক সদস্যকে মারধরের সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে কলম চাঁনকেও ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের ছেলে বাদী হয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান চালিয়ে আসছিল র্যাব-৯।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শায়েস্তাগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে অপরাধ দমনে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
