হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।
স্বজনদের বরাতে জানা যায়, উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের বেগুনাই গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলামের সঙ্গে একই গ্রামের মুখলেছ মিয়া তালুকদার পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় বড়কান্দি হাওর থেকে ট্রলিযোগে ধান আনার সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে উপর্যুপরি আঘাত করে। এতে তার বাম হাতের আঙুলে গুরুতর জখম হয় এবং পেটে মারাত্মক আঘাত লাগে।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন এবং তার অবস্থা সংকটাপন্ন।
এ বিষয়ে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হক জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আহতের পরিবারের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।
স্বজনদের বরাতে জানা যায়, উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের বেগুনাই গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলামের সঙ্গে একই গ্রামের মুখলেছ মিয়া তালুকদার পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় বড়কান্দি হাওর থেকে ট্রলিযোগে ধান আনার সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে উপর্যুপরি আঘাত করে। এতে তার বাম হাতের আঙুলে গুরুতর জখম হয় এবং পেটে মারাত্মক আঘাত লাগে।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন এবং তার অবস্থা সংকটাপন্ন।
এ বিষয়ে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হক জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আহতের পরিবারের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
