সুনামগঞ্জে র্যাব-৯ ও জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার দায়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালের মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) দুপুর পৌনে ১টার দিকে পৌর শহরের নবীনগর এলাকায় অবস্থিত খন্দকার আলকাছ আমিনা হাসপাতালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় হাসপাতালটির মালিককে এ জরিমানা করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একে এম শহীদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-৩ এবং জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে হাসপাতালটির বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার প্রমাণ পাওয়া যায়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী কোনো সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অবহেলা, দায়িত্বহীনতা বা অসতর্কতার মাধ্যমে সেবাগ্রহীতার অর্থ, স্বাস্থ্য কিংবা জীবনহানির কারণ হতে পারে না। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
র্যাব জানায়, জনস্বার্থে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম বন্ধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জে র্যাব-৯ ও জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার দায়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালের মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) দুপুর পৌনে ১টার দিকে পৌর শহরের নবীনগর এলাকায় অবস্থিত খন্দকার আলকাছ আমিনা হাসপাতালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় হাসপাতালটির মালিককে এ জরিমানা করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একে এম শহীদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-৩ এবং জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে হাসপাতালটির বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার প্রমাণ পাওয়া যায়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী কোনো সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অবহেলা, দায়িত্বহীনতা বা অসতর্কতার মাধ্যমে সেবাগ্রহীতার অর্থ, স্বাস্থ্য কিংবা জীবনহানির কারণ হতে পারে না। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
র্যাব জানায়, জনস্বার্থে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম বন্ধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
