দীর্ঘ তিন মাস পর ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন সরবরাহ করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ১৭টি অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন পৌঁছায়।
রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালের জন্য মোট ৪০টি অ্যান্টিভেনম ইনজেকশনের চাহিদা পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে আপাতত ১৭টি ইনজেকশন পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, গত তিন মাস ধরে হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম না থাকায় সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসা দিতে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। নতুন চালান আসায় এখন থেকে জরুরি চিকিৎসা সেবা আবারও স্বাভাবিকভাবে দেওয়া সম্ভব হবে।
স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানান, সাপে কাটা রোগীদের ক্ষেত্রে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, নিয়মিত ও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত হলে সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসায় আর কোনো সংকট তৈরি হবে না।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
দীর্ঘ তিন মাস পর ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন সরবরাহ করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ১৭টি অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন পৌঁছায়।
রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালের জন্য মোট ৪০টি অ্যান্টিভেনম ইনজেকশনের চাহিদা পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে আপাতত ১৭টি ইনজেকশন পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, গত তিন মাস ধরে হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম না থাকায় সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসা দিতে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। নতুন চালান আসায় এখন থেকে জরুরি চিকিৎসা সেবা আবারও স্বাভাবিকভাবে দেওয়া সম্ভব হবে।
স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানান, সাপে কাটা রোগীদের ক্ষেত্রে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, নিয়মিত ও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত হলে সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসায় আর কোনো সংকট তৈরি হবে না।
