ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সিরিয়া সফরের সময় রাজধানী দামেস্কে অন্তত দুটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এবং আলজাজিরা যাচাইকৃত ভিডিওতে বিস্ফোরণের পর আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী ও একটি গাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্যটন মন্ত্রণালয় ও একটি হোটেলের কাছে বিস্ফোরণ দুটি ঘটে। প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে বৈঠকের জন্য মাখোঁর ওই হোটেলে অবস্থান করার কথা ছিল।
তবে মাখোঁর কার্যালয় জানিয়েছে, বৈঠকে যাওয়ার পথে তিনি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাননি এবং তার সরকারি সফর পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অব্যাহত রয়েছে।
সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিস্ফোরণ দুটি ফরাসি প্রেসিডেন্টের জন্য নির্ধারিত নিরাপত্তা বলয়ের বাইরে ঘটেছে। ফলে তার অবস্থান বা সফরসূচির ওপর কোনো সরাসরি হুমকি তৈরি হয়নি।
ঘটনার পর নিরাপত্তা বাহিনী আশপাশের সড়ক বন্ধ করে দেয়। হামলার কারণ ও দায়ীদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, দুটি বিস্ফোরকই ছিল দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। এর মধ্যে একটি রাস্তার পাশে পার্ক করা একটি গাড়ির ভেতরে রাখা হয়েছিল, অন্যটি লুকিয়ে রাখা হয়েছিল একটি আবর্জনার কনটেইনারে।
প্রেসিডেন্ট ভবন এলাকা থেকে আলজাজিরার প্রতিবেদক ওবাইদা হিত্তো জানান, সেখানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা বিস্ফোরণকে ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড’ বলে উল্লেখ করেছেন।
দামেস্কভিত্তিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ইসমত আল-আবসি বলেন, হামলার প্রকৃত লক্ষ্যবস্তু এখনও স্পষ্ট নয়। মাখোঁর গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তার মতে, হামলার উদ্দেশ্য ছিল অস্থিরতা সৃষ্টি এবং একটি নেতিবাচক বার্তা দেওয়া। একই সঙ্গে তিনি এটিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার ইঙ্গিত বলেও মন্তব্য করেন।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও দামেস্কের কেন্দ্রস্থলের একটি ক্যাফেতে বিস্ফোরণে অন্তত নয়জন নিহত এবং আরও ২০ জন আহত হয়েছিলেন বলে জানিয়েছিল সিরিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সিরিয়া সফরের সময় রাজধানী দামেস্কে অন্তত দুটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এবং আলজাজিরা যাচাইকৃত ভিডিওতে বিস্ফোরণের পর আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী ও একটি গাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্যটন মন্ত্রণালয় ও একটি হোটেলের কাছে বিস্ফোরণ দুটি ঘটে। প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে বৈঠকের জন্য মাখোঁর ওই হোটেলে অবস্থান করার কথা ছিল।
তবে মাখোঁর কার্যালয় জানিয়েছে, বৈঠকে যাওয়ার পথে তিনি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাননি এবং তার সরকারি সফর পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অব্যাহত রয়েছে।
সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিস্ফোরণ দুটি ফরাসি প্রেসিডেন্টের জন্য নির্ধারিত নিরাপত্তা বলয়ের বাইরে ঘটেছে। ফলে তার অবস্থান বা সফরসূচির ওপর কোনো সরাসরি হুমকি তৈরি হয়নি।
ঘটনার পর নিরাপত্তা বাহিনী আশপাশের সড়ক বন্ধ করে দেয়। হামলার কারণ ও দায়ীদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, দুটি বিস্ফোরকই ছিল দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। এর মধ্যে একটি রাস্তার পাশে পার্ক করা একটি গাড়ির ভেতরে রাখা হয়েছিল, অন্যটি লুকিয়ে রাখা হয়েছিল একটি আবর্জনার কনটেইনারে।
প্রেসিডেন্ট ভবন এলাকা থেকে আলজাজিরার প্রতিবেদক ওবাইদা হিত্তো জানান, সেখানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা বিস্ফোরণকে ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড’ বলে উল্লেখ করেছেন।
দামেস্কভিত্তিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ইসমত আল-আবসি বলেন, হামলার প্রকৃত লক্ষ্যবস্তু এখনও স্পষ্ট নয়। মাখোঁর গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তার মতে, হামলার উদ্দেশ্য ছিল অস্থিরতা সৃষ্টি এবং একটি নেতিবাচক বার্তা দেওয়া। একই সঙ্গে তিনি এটিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার ইঙ্গিত বলেও মন্তব্য করেন।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও দামেস্কের কেন্দ্রস্থলের একটি ক্যাফেতে বিস্ফোরণে অন্তত নয়জন নিহত এবং আরও ২০ জন আহত হয়েছিলেন বলে জানিয়েছিল সিরিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
