প্রবাসী ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আবাসন ও রেসিডেন্সি নীতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে ওমান সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দেশটিতে সম্পত্তি বা আবাসিক ইউনিটের মালিক বিদেশি নাগরিকরা কোনো স্থানীয় স্পনসর বা ‘কফিল’ ছাড়াই দীর্ঘমেয়াদি ভিসা এবং রেসিডেন্স পারমিট (বসবাসের অনুমতি) পাবেন।
সম্প্রতি ওমান পুলিশ আবাসনসংক্রান্ত নির্বাহী বিধিমালায় সংশোধনী এনে এ সুবিধা চালু করেছে। সংশোধিত নীতিমালা ইতোমধ্যে দেশটির সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে।
নতুন বিধান অনুযায়ী, ওমানে জমি বা ফ্ল্যাট কিনেছেন এমন বিদেশি নাগরিকদের জন্য বসবাসের সুযোগ আরও সহজ হয়েছে। এমনকি যেসব সম্পত্তির নিবন্ধন প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি, সেসব ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সনদ সাপেক্ষে ভিসা ও রেসিডেন্স পারমিট দেওয়া হবে।
এই সুবিধা শুধু মূল সম্পত্তি মালিকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তার প্রথম স্তরের পরিবারের সদস্য, অর্থাৎ স্ত্রী ও সন্তানরাও এর আওতায় থাকবেন। পাশাপাশি সম্পত্তি বা জমি ক্রয়কারী কোনো করপোরেট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত আইনি প্রতিনিধিরাও এ সুবিধা পাবেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনিবন্ধিত কিন্তু অনুমোদিত সম্পত্তির বিপরীতে দেওয়া ভিসাগুলো সাধারণত ছয় মাস থেকে এক বছরের জন্য ইস্যু করা হবে এবং পরবর্তীতে নবায়নের সুযোগ থাকবে। এসব ভিসাধারী প্রতিবার ওমান সফরে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত অবস্থান করতে পারবেন।
এছাড়া ‘ওনার ভিসা’ বা মালিকানা-ভিত্তিক ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে। এখন বিদেশি সম্পত্তি মালিক এবং সম্পত্তি-মালিকানাধীন কোম্পানির অনুমোদিত প্রতিনিধিরা কোনো স্থানীয় মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি রেসিডেন্সি সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
ওমান সরকার মনে করছে, নতুন এই নীতিমালা দেশটির আবাসন খাতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আরও বাড়াবে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করবে।
তবে নতুন নিয়মের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো ভিসা ইস্যুর তিন মাসের মধ্যে আবেদনকারীকে অবশ্যই ওমানে প্রবেশ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
প্রবাসী ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আবাসন ও রেসিডেন্সি নীতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে ওমান সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দেশটিতে সম্পত্তি বা আবাসিক ইউনিটের মালিক বিদেশি নাগরিকরা কোনো স্থানীয় স্পনসর বা ‘কফিল’ ছাড়াই দীর্ঘমেয়াদি ভিসা এবং রেসিডেন্স পারমিট (বসবাসের অনুমতি) পাবেন।
সম্প্রতি ওমান পুলিশ আবাসনসংক্রান্ত নির্বাহী বিধিমালায় সংশোধনী এনে এ সুবিধা চালু করেছে। সংশোধিত নীতিমালা ইতোমধ্যে দেশটির সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে।
নতুন বিধান অনুযায়ী, ওমানে জমি বা ফ্ল্যাট কিনেছেন এমন বিদেশি নাগরিকদের জন্য বসবাসের সুযোগ আরও সহজ হয়েছে। এমনকি যেসব সম্পত্তির নিবন্ধন প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি, সেসব ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সনদ সাপেক্ষে ভিসা ও রেসিডেন্স পারমিট দেওয়া হবে।
এই সুবিধা শুধু মূল সম্পত্তি মালিকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তার প্রথম স্তরের পরিবারের সদস্য, অর্থাৎ স্ত্রী ও সন্তানরাও এর আওতায় থাকবেন। পাশাপাশি সম্পত্তি বা জমি ক্রয়কারী কোনো করপোরেট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত আইনি প্রতিনিধিরাও এ সুবিধা পাবেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনিবন্ধিত কিন্তু অনুমোদিত সম্পত্তির বিপরীতে দেওয়া ভিসাগুলো সাধারণত ছয় মাস থেকে এক বছরের জন্য ইস্যু করা হবে এবং পরবর্তীতে নবায়নের সুযোগ থাকবে। এসব ভিসাধারী প্রতিবার ওমান সফরে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত অবস্থান করতে পারবেন।
এছাড়া ‘ওনার ভিসা’ বা মালিকানা-ভিত্তিক ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে। এখন বিদেশি সম্পত্তি মালিক এবং সম্পত্তি-মালিকানাধীন কোম্পানির অনুমোদিত প্রতিনিধিরা কোনো স্থানীয় মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি রেসিডেন্সি সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
ওমান সরকার মনে করছে, নতুন এই নীতিমালা দেশটির আবাসন খাতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আরও বাড়াবে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করবে।
তবে নতুন নিয়মের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো ভিসা ইস্যুর তিন মাসের মধ্যে আবেদনকারীকে অবশ্যই ওমানে প্রবেশ করতে হবে।
