চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মরুভূমিতে বিশাল এক গোপন সামরিক স্থাপনার অস্তিত্ব উঠে এসেছে উপগ্রহচিত্রে, যা ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
চীনা -এর শিনজিয়াং অঞ্চলে এই বিশাল কমপ্লেক্সটি শনাক্ত করা হয়েছে। এতে অষ্টভুজাকৃতির একটি কাঠামোর চারপাশে শত শত বাঙ্কার, ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চপ্যাড এবং সামরিক স্থাপনা নির্মাণ চলমান রয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন -এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে চীন তাদের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার প্রায় ১,০০০-এ উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এই প্রতিবেদনের পরই নতুন উপগ্রহচিত্র প্রকাশ পাওয়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
Reuters-এর প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মরুভূমি এলাকায় দ্রুত গতিতে সামরিক অবকাঠামো নির্মাণ চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন ও দ্রুত উৎক্ষেপণের সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ হতে পারে।
বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, পুরো এলাকায় নতুন সড়ক, রেললাইন এবং বিমানঘাঁটির মতো অবকাঠামোও গড়ে তোলা হচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকরা এটিকে চীনের কৌশলগত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির বৃহৎ প্রকল্প হিসেবে দেখছেন।
গবেষকদের বরাত অনুযায়ী, কয়েক হাজার বর্গকিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত এই এলাকা কার্যত একটি অস্ত্রভাণ্ডারের গোপন নগরী তে পরিণত হচ্ছে।
একাধিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক বছর ধরে শিনজিয়াং অঞ্চলে এ ধরনের আরও একাধিক সামরিক কমপ্লেক্স নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে, যা বৈশ্বিক নিরাপত্তা আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মরুভূমিতে বিশাল এক গোপন সামরিক স্থাপনার অস্তিত্ব উঠে এসেছে উপগ্রহচিত্রে, যা ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
চীনা -এর শিনজিয়াং অঞ্চলে এই বিশাল কমপ্লেক্সটি শনাক্ত করা হয়েছে। এতে অষ্টভুজাকৃতির একটি কাঠামোর চারপাশে শত শত বাঙ্কার, ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চপ্যাড এবং সামরিক স্থাপনা নির্মাণ চলমান রয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন -এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে চীন তাদের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার প্রায় ১,০০০-এ উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এই প্রতিবেদনের পরই নতুন উপগ্রহচিত্র প্রকাশ পাওয়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
Reuters-এর প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মরুভূমি এলাকায় দ্রুত গতিতে সামরিক অবকাঠামো নির্মাণ চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন ও দ্রুত উৎক্ষেপণের সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ হতে পারে।
বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, পুরো এলাকায় নতুন সড়ক, রেললাইন এবং বিমানঘাঁটির মতো অবকাঠামোও গড়ে তোলা হচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকরা এটিকে চীনের কৌশলগত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির বৃহৎ প্রকল্প হিসেবে দেখছেন।
গবেষকদের বরাত অনুযায়ী, কয়েক হাজার বর্গকিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত এই এলাকা কার্যত একটি অস্ত্রভাণ্ডারের গোপন নগরী তে পরিণত হচ্ছে।
একাধিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক বছর ধরে শিনজিয়াং অঞ্চলে এ ধরনের আরও একাধিক সামরিক কমপ্লেক্স নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে, যা বৈশ্বিক নিরাপত্তা আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
