বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

সীমান্তে কড়াকড়ি, জিরো টলারেন্স

ভারতে আটক ২৮০ বাংলাদেশি নেওয়া হলো হোল্ডিং সেন্টারে

ভারতে আটক ২৮০ বাংলাদেশি নেওয়া হলো হোল্ডিং সেন্টারে
ভারতের অভ্যন্তরে সীমান্তবর্তী একটি হোল্ডিং সেন্টারে আটক রাখা ‘বাংলাদেশিরা’। ছবি : সংগৃহীত

অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার। জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে হোল্ডিং সেন্টার চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে ২৮০ জন কথিত বাংলাদেশি কে বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৭ মে) পর্যন্ত সীমান্ত এলাকায় শত শত মানুষ জড়ো হচ্ছেন বলে জানা গেছে। ট্রেন, বাস ও ভাড়া করা গাড়িতে করে তারা সীমান্ত এলাকায় পৌঁছাচ্ছেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রশাসনের ধারণা, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাকিমপুর সীমান্ত এলাকা থেকে আগের রাতে ১১০ জনকে আটক করে রাজ্য পুলিশ। এছাড়া সীমান্তবর্তী আরও দুটি হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে প্রায় ১৭০ জনকে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদের সবাইকে বাংলাদেশি বলে দাবি করছে।

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স বিএসএফ ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সমন্বয়ে তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে তাদের রাখা হয়েছে। বর্তমানে তাদের পরিচয় ও নথি যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি -এর সঙ্গেও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রশাসন সূত্রে দাবি করা হয়েছে, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক মামলা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিরা যদি বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্ত হন, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আটক কয়েকজন জানিয়েছেন, তারা দালালের সহায়তায় বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং পরে কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাসহ বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করছিলেন। কেউ কেউ দক্ষিণ ভারতের কেরালাতেও অবস্থান করছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনের দাবি, স্থানীয় দালালদের সহায়তায় অনেকেই ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেছিলেন। এ ঘটনায় রাজনৈতিক যোগসাজশের অভিযোগও তুলেছে রাজ্য সরকার।

#পশ্চিমবঙ্গ #ভারতবাংলাদেশ #সীমান্তসংকট

চেকপোস্ট

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬


ভারতে আটক ২৮০ বাংলাদেশি নেওয়া হলো হোল্ডিং সেন্টারে

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬

featured Image

অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার। জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে হোল্ডিং সেন্টার চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে ২৮০ জন কথিত বাংলাদেশি কে বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৭ মে) পর্যন্ত সীমান্ত এলাকায় শত শত মানুষ জড়ো হচ্ছেন বলে জানা গেছে। ট্রেন, বাস ও ভাড়া করা গাড়িতে করে তারা সীমান্ত এলাকায় পৌঁছাচ্ছেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রশাসনের ধারণা, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাকিমপুর সীমান্ত এলাকা থেকে আগের রাতে ১১০ জনকে আটক করে রাজ্য পুলিশ। এছাড়া সীমান্তবর্তী আরও দুটি হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে প্রায় ১৭০ জনকে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদের সবাইকে বাংলাদেশি বলে দাবি করছে।

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স বিএসএফ ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সমন্বয়ে তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে তাদের রাখা হয়েছে। বর্তমানে তাদের পরিচয় ও নথি যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি -এর সঙ্গেও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রশাসন সূত্রে দাবি করা হয়েছে, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক মামলা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিরা যদি বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্ত হন, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আটক কয়েকজন জানিয়েছেন, তারা দালালের সহায়তায় বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং পরে কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাসহ বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করছিলেন। কেউ কেউ দক্ষিণ ভারতের কেরালাতেও অবস্থান করছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনের দাবি, স্থানীয় দালালদের সহায়তায় অনেকেই ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেছিলেন। এ ঘটনায় রাজনৈতিক যোগসাজশের অভিযোগও তুলেছে রাজ্য সরকার।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত