ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথাকথিত সমঝোতা স্মারকের খবরকে ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউস।
বুধবার (২৭ মে) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি দাবি করে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকের অনানুষ্ঠানিক খসড়া পেয়েছে। ওই খসড়ায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আশপাশ থেকে সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেবে এবং নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে। এর বিনিময়ে এক মাসের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করবে তেহরান।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রস্তাবিত কাঠামোয় সামরিক জাহাজ অন্তর্ভুক্ত নয় এবং ওমানের সহযোগিতায় হরমুজ প্রণালির নৌ চলাচল ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করবে ইরান। এছাড়া ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি হলে তা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বাধ্যতামূলক প্রস্তাব হিসেবে অনুমোদনের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এই দাবি সরাসরি নাকচ করেছে হোয়াইট হাউস। তাদের র্যাপিড রেসপন্স ৪৭ অ্যাকাউন্ট এক পোস্টে জানায়, ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রচারিত তথাকথিত সমঝোতা স্মারক ‘সত্য নয়’ এবং পুরো বিষয়টি ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’।
ফক্স নিউজ -এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের প্রকাশিত প্রস্তাবে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি, ভবিষ্যৎ নিষেধাজ্ঞা এবং জব্দ হওয়া ২০ বিলিয়ন ডলার তহবিল ছাড়ের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক ‘রেড লাইন’-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
হোয়াইট হাউসের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম যে তথ্য প্রচার করছে, তা বিশ্বাসযোগ্য নয় এবং বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথাকথিত সমঝোতা স্মারকের খবরকে ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউস।
বুধবার (২৭ মে) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি দাবি করে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকের অনানুষ্ঠানিক খসড়া পেয়েছে। ওই খসড়ায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আশপাশ থেকে সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেবে এবং নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে। এর বিনিময়ে এক মাসের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করবে তেহরান।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রস্তাবিত কাঠামোয় সামরিক জাহাজ অন্তর্ভুক্ত নয় এবং ওমানের সহযোগিতায় হরমুজ প্রণালির নৌ চলাচল ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করবে ইরান। এছাড়া ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি হলে তা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বাধ্যতামূলক প্রস্তাব হিসেবে অনুমোদনের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এই দাবি সরাসরি নাকচ করেছে হোয়াইট হাউস। তাদের র্যাপিড রেসপন্স ৪৭ অ্যাকাউন্ট এক পোস্টে জানায়, ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রচারিত তথাকথিত সমঝোতা স্মারক ‘সত্য নয়’ এবং পুরো বিষয়টি ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’।
ফক্স নিউজ -এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের প্রকাশিত প্রস্তাবে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি, ভবিষ্যৎ নিষেধাজ্ঞা এবং জব্দ হওয়া ২০ বিলিয়ন ডলার তহবিল ছাড়ের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক ‘রেড লাইন’-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
হোয়াইট হাউসের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম যে তথ্য প্রচার করছে, তা বিশ্বাসযোগ্য নয় এবং বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।
